০৯ মে, ২০১৭ ২২:০১
রাজধানীর বনানীতে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে হোটেলে আটকে রেখে ধর্ষণের ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনার মধ্যে এবার রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকা থেকে নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে দুইদিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
গত শনিবার (৬ মে) স্বজনরা তাকে আশকোনার একটি বাসা থেকে উদ্ধার করেন এবং সোমবার এ ঘটনায় কামরঙ্গীরচর থানায় মামলা করা হয়। আজ মঙ্গলবার পুলিশ কিশোরীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে।
পুলিশ ও কিশোরীর স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ধর্ষক আরিফ হোসেন (২২) কিশোরীর ফুপাতো ভাই।
ঘটনার শিকার কিশোরীর বাবা জানান, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে তার মেয়ে কোচিং শেষ করে বাসায় ফিরছিল। ওই সময়ে আগেই ওঁৎ পেতে থাকা আরিফ তার মেয়েকে জোর করে একটি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়। তারা খবর পেয়ে খোঁজাখুঁজি করে শনিবার আশকোনার একটি বাসা থেকে মেয়েকে উদ্ধার করেন।
তিনি বলেন, ঘটনাটি নিজেদের মধ্যে হওয়ায় শুরুর দিকে পুলিশকে জানাননি। নিজেরাই মেয়েকে উদ্ধার করে লোকলজ্জার ভয়ে চুপচাপ থাকেন। এরপর আরিফ ও তার পরিবারের লোকজন হুমকি দেওয়ায় বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
কিশোরীর এক স্বজন জানান, মেয়েটি পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ার সময় আরিফ পারিবারিকভাবে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এতে মেয়ের বাবা রাজি ছিলেন না। এ নিয়ে দীর্ঘ বছর ধরে দুই পরিবারের মধ্যে ঝামেলা চলছিল। প্রতিশোধ নিতেই আরিফ তার পরিবারের সহায়তায় কিশোরীকে তুলে নিয়ে দুইদিন আটকে রেখে পাশবিকতা চালায়।
কামরাঙ্গীচর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বাবু কুমার সাহা বলেন, অভিযুক্ত আরিফ বিবাহিত। তার একটি সন্তানও রয়েছে। তবে আত্মীয় হিসেবে মেয়েটির সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল। ওই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে সে কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভনে তুলে নিয়ে পাশবিকতা চালায়। অভিযুক্ত আরিফকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
সূত্র: সমকাল
আপনার মন্তব্য