সিলেটটুডে ডেস্ক

১৫ মে, ২০১৭ ১৩:০৪

আপন জুয়েলার্সের মালিক ও হোটেল রেইনট্রি কর্তৃপক্ষকে তলব

স্বর্ণ ও ডায়মন্ড জব্দের ঘটনায় আপন জুয়েলার্সের মালিক এবং হোটেলে অবৈধ মদ রাখার দায়ে দ্য রেইনট্রি'র মালিককে তলব করেছে শুল্ক গোয়েন্দা সদর দফতর।

সোমবার (১৫ মে) শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) ড. মঈনুল খান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, রোববার শুল্ক গোয়েন্দার অভিযানে ব্যাখ্যাহীনভাবে মজুদ করা স্বর্ণ ও ডায়মন্ড জব্দের ঘটনায় আপন জুয়েলার্সের মালিককে তলব করা হয়েছে। বুধবার (১৭ মে) বেলা ১১টায় তাদের শুল্ক গোয়েন্দার কাকরাইলের সদর দফতরে কাগজপত্রসহ হাজির হতে বলা হয়েছে। একই সময় হোটেল রেইনট্রির ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) মদ রাখার দায়ে সমন দেওয়া হয়েছে।

রোববার শুল্ক গোয়েন্দারা আপন জুয়েলার্সের গুলশান, উত্তরা, মৌচাক ও সীমান্ত স্কোয়ারের শাখায় অভিযান চালিয়ে ব্যাখ্যাহীনভাবে মজুদ রাখার দায়ে ২৮৬ কেজি স্বর্ণ ও ৬১ গ্রাম ডায়মন্ড সাময়িক জব্দ করে। গুলশানের সুবাস্তু টাওয়ারে অন্য আরেকটি শাখা বন্ধ পাওয়ায় সবার উপস্থিতিতে ইনভেন্টরি করার নিমিত্তে সেটি সিলগালা করা হয়।

জানা গেছে, তলবে সাময়িকভাবে জব্দ এই মূল্যবান সামগ্রী সরবরাহের বৈধতা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

অন্যদিকে, রোববার দুপুরে দ্য রেইনট্রি হোটেলে অভিযান চালিয়ে শুল্ক গোয়েন্দারা ১০ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেন। এ মদ উদ্ধারের সময় হোটেল কর্তৃপক্ষ বারের লাইসেন্স দেখাতে পারেনি। অবৈধভাবে বিদেশি মদ রাখার দায়ে হোটেল কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের বড় ছেলে শাফাত আহমেদের জন্মদিনের পার্টির কথা বলে গত ২৮ মার্চ ঢাকার বনানীর হোটেল রেইনট্রি-তে নিয়ে গিয়ে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয় বলে বনানী থানায় একটি মামলা হয় এক সপ্তাহ আগে। ওই মামলার অপর আসামিদের মধ্যে দুজন সাফাতের বন্ধু, বাকি দুজন তার দেহরক্ষী ও গাড়িচালক। গত বৃহস্পতিবার শাফাত ও তার বন্ধু সাদমান সাকিফকে সিলেট থেকে গ্রেপ্তার করার পর পুলিশ তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

ওই ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ পাওয়ার পর আপন জুয়েলার্সের মালিকের বিরুদ্ধে চোরাচালানের অভিযোগ ওঠে। পাশাপাশি ঘটনাস্থল রেইনট্রি হোটেলও গোয়েন্দা নজরদারিতে আসে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত