সিলেটটুডে ডেস্ক

১৮ মে, ২০১৭ ১২:২৪

ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে শাফাত-সাকিফরা

রাজধানীর বনানীর দ্য রেইনট্রি হোটেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে শাফাত-সাকিফরা।

বৃহস্পতিবার (১৮ মে) বেলা ১১টায় ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক অনানুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম।

বুধবার রাতে গ্রেপ্তার নাঈমকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, সে ধর্ষণের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। আরো অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে উপস্থাপন করে রিমান্ড চাওয়া হবে।

এই ঘটনায় পূর্বে গ্রেপ্তার হওয়া শাফাত আহমেদ, সাদমান সাকিফ, ড্রাইভার বিল্লাল ও বডিগার্ড রহমত আলীকে জিজ্ঞাসাবাদে তারা যার যার ভূমিকার কথা স্বীকার করেছে বলেও জানান মনিরুল ইসলাম।

পুলিশের শীর্ষ এই গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, মেয়েরা (মামলার বাদী) আইনানুযায়ী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে আমরা তথ্য পাচ্ছি। তা নিয়ে মেয়েদের সাথে কথা হচ্ছে।

তিনি বলেন, হোটেল রেইনট্রি কর্তৃপক্ষ ধর্ষণের সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল কিনা তদন্তে তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদি এমন প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এখনো কোনো ভিডিও তারা হাতে পাননি বলে জানান মনিরুল।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) কৃষ্ণপদ রায়, যুগ্ম কমিশনার (ডিবি) আব্দুল বাতেন, উপ কমিশনার (ডিসি-মিডিয়া) মো. মাসুদুর রহমান প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ মার্চ রাতে রাজধানীর বনানীর 'দি রেইনট্রি' নামক একটি হোটেলে পূর্ব পরিচিত শাফাত আহমেদের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গিয়ে রাতভর ধর্ষণের শিকার হন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী। ওই ঘটনায় গত শনিবার আপন জুয়েলার্সের অন্যতম কর্ণধার দিলদার আহমেদের ছেলে শাফাত আহমেদ ও রেগনাম গ্রুপের পরিচালক সাদমান সাকিফসহ পাঁচজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়। গত বৃহস্পতিবার রাতে সিলেট থেকে গ্রেপ্তার করা হয় আসামি শাফাত ও সাকিফকে। এরপর সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার হন শাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন ও দেহরক্ষী আজাদ ওরফে রহমত আলী। আর সর্বশেষ গতকাল বুধবার রাতে মুন্সিগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ধর্ষণ মামলার অন্যতম আসামি নাঈম আশরাফকে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত