১৯ আগস্ট, ২০২০ ১২:১৯
এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে একের পর এক বিস্ময়ের জন্ম দেওয়া জার্মান ক্লাব আরবি লাইপজিপের স্বপ্নযাত্রায় ছেদ পড়ল অবশেষে। সেমিফাইনালে পিএসজির কাছে হেরে বিদায় নিয়েছে আলাইপজিগ। আর এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে ওঠার গল্প লিখাল পিএসজি।
লিসবনে মঙ্গলবার রাতে প্রথম সেমি-ফাইনালে ৩-০ গোলে জিতেছে ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের শুরুতে মার্কিনিয়োসের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আনহেল দি মারিয়া। দ্বিতীয়ার্ধে তৃতীয় গোলটি করেন হুয়ান বের্নাত।
৯৭০ সালে পথচলা শুরু হয় ফ্রান্সের ক্লাব প্যারিস সেইন্ট জার্মেইনের। ৫০ বছরের ইতিহাসে ৯ বার লিগ ওয়ান শিরোপার পাশাপাশি রেকর্ড গড়ে ডোমেস্টিকের নানা শিরোপা জিতলেও এ পর্যন্ত খেলা হয়নি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল। মাঝে ১৯৯৪-৯৫ মৌসুমে সেমিফাইনালে উঠলেও অধরাই থেকে গেল ইউরোপের সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ লিগের ফাইনালে খেলা। এবার সেই স্বপ্নের ফাইনালে ওঠে ইউরোপ সেরা হওয়ার মঞ্চে নেইমার-এমবাপে-দি মারিয়ারা।
দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে বুধবার মুখোমুখি হবে বায়ার্ন মিউনিখ ও অলিম্পিক লিওঁ। এই ম্যাচের বিজয়ীর বিপক্ষে আগামী রোববার শিরোপা লড়াইয়ে নামবে টমাস টুখেলের দল।
ম্যাচের সপ্তম মিনিটে গোলের প্রথম সুযোগে কিলিয়ান এমবাপের দারুণ পাস ডি-বক্সে ফাঁকায় পান নেইমার। সামনে একমাত্র বাধা ছিল গোলরক্ষক, ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের শট গোলরক্ষককে পরাস্ত করলেও পোস্টের বাধা এড়াতে পারেনি। পরের মিনিটে ডি-বক্সে বল পেয়ে ফাঁকা জালে পাঠিয়েছিলেন এমবাপে। তবে এর আগে বল নেইমারের হাতে লাগায় হ্যান্ডবলের বাঁশি বাজান রেফারি। শুরুর হতাশা কাটিয়ে উঠতে খুব বেশি সময় নেয়নি পিএসজি।
ত্রয়োদশ মিনিটে দি মারিয়ার ফ্রি-কিক থেকে দারুণ এক হেডে ঠিকানা খুঁজে নেন মার্কিনিয়োস। শেষ আটে আতালান্তার বিপক্ষে হারতে বসা ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে এই ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারের গোলেই সমতায় ফিরেছিল পিএসজি।
৪২তম মিনিটে প্রতিপক্ষের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করে লিগ ওয়ানের চ্যাম্পিয়নরা। নিজেদের সীমানায় লাইপজিগ বল হারালে সতীর্থের পা ঘুরে ডি-বক্সে পান নেইমার। প্রথম ছোঁয়ায় ফ্লিকে পেনাল্টি স্পটের কাছে বল বাড়ান তিনি আর ঠাণ্ডা মাথায় বাঁ পায়ের শটে ঠিকানা খুঁজে নেন দি মারিয়া।
৫৬তম মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে ফাইনালের পথে এগিয়ে যায় পিএসজি। বাঁ দিক থেকে আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার দি মারিয়ার ক্রসে হেডে গোলটি করেন স্প্যানিশ ডিফেন্ডার হুয়ান বের্নাত।
আপনার মন্তব্য