১৬ ফেব্রুয়ারি , ২০২৩ ১০:৪২
শুরুতে খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছিল না চেলসিকে। এরইমধ্যে গোলও খেয়ে বসে তারা। কিন্তু এরপর যেন সম্বিৎ ফিরে পাওয়া! তাতে কী লাভ হয়নি; গোল পাওয়া হয়নি তাদের। যদিও বাঁধ সেধেছে ক্রসবার, বল ফিরে আসল গোললাইন থেকেও।
বুধবার রাতে সিগনাল ইদুনা পার্কে শেষ ষোলোর প্রথম লেগে চেলসিকে ১-০ গোলে হারিয়েছে জার্মান ক্লাব বরুশিয়া ডর্টমুন্ড।
চেলসি ম্যাচে গোলের জন্য শট নেয় মোট ২১টি, যার ৮টি ছিল লক্ষ্যে। এদিকে ডর্টমুন্ডের ১৪ শটের ২টি লক্ষ্যে ছিল। ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় কোনো ইংলিশ দলের বিপক্ষে ১০ ম্যাচ (৮ হার, ২ ড্র) পর জয়ের স্বাদ পেল ডর্টমুন্ড। এর আগের জয়টি ছিল ২০১৬ সালের মার্চে, ইউরোপা লিগে টটেনহ্যাম হটস্পারের মাঠে ২-১ গোলে।
৩১তম মিনিটে সুযোগ হারান চেলসির জোয়াও ফেলিক্স। হাকিম জিয়াশের সঙ্গে ওয়ান-টু খেলে ভালো পজিশনে থেকে উড়িয়ে মারেন তরুণ পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড। এরআগে কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে জালে জড়ালেও তার আগে স্পর্শ করে চিয়েগো সিলভার হাত। সিলভা দুই হাত তুলে ক্ষমা চাইলেও রেফারির হলুদ কার্ড থেকে বাঁচতে পারেননি।
দ্বিতীয়ার্ধের অষ্টম মিনিটে ডর্টমুন্ডের বক্সের বাইরে ফ্রি-কিক পায় চেলসি। জেমসের শট ঝাঁপিয়ে ফেরান গোলরক্ষক। ৬২তম মিনিটে জেমসের আরেকটি শটে বল ক্রসবারের ওপর দিয়ে পাঠান গ্রেগর কোবেল। সেই কর্নার থেকেই ডর্টমুন্ডের এগিয়ে যাওয়া গোলের উৎসের শুরু। সিলভার হেড ক্লিয়ার করে রাফায়েল গেরেইরো বাড়ান আদেইয়েমিকে। নিজেদের অর্ধ থেকে বল ধরে এগিয়ে চেলসির এনসো ফের্নান্দেসের বাধা এড়িয়ে গোলরক্ষককে কাটিয়ে জাল খুঁজে নেন তরুণ জার্মান স্ট্রাইকার।
৭৮তম মিনিটে গোল প্রায় পেয়েই যাচ্ছিল চেলসি। রুবেন লফটাস-চিকের পাসে পেনাল্টি স্পটের কাছ থেকে কালিদু কলিবালির শট গোলরক্ষক আটকে দিলেও বল যাচ্ছিল জালে। গোললাইন থেকে ফেরান মিডফিল্ডার এমরে কান।
নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে একটি ফাউলকে কেন্দ্র করে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে দুই দলের খেলোয়াড়রা। হলুদ কার্ড দেখে ম্যাসন মাউন্ট ও নিকোলাস সুলে। এই ম্যাচে দুই দলের ১০ জন দেখেন হলুদ কার্ড।
পাঁচ মিনিট যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে আরেকটি দুর্দান্ত সেভে ডর্টমুন্ডের জয় নিশ্চিত করেন কোবেল।
আগামী ৭ মার্চ স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে হবে ফিরতি লেগ।
আপনার মন্তব্য