সিলেটটুডে ডেস্ক

০১ জুন, ২০২৫ ১৪:০১

মেসি-নেইমার-এমবাপের যুগের অবসানের পর চ্যাম্পিয়নস লিগ পিএসজির

ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্ব পেতে পিএসজি দলে ভিড়িয়েছিল লিওনেল মেসি, নেইমার ও কিলিয়ান এমবাপের মতো তারকাদের। বিনিয়োগ করেছিল কাড়ি কাড়ি অর্থ। তবু হচ্ছিল না। অবশেষে মেসি-নেইমার-এমবাপ্পে যুগেরছাড়াই ইউরোপের সর্বোচ্চ ক্লাব প্রতিযোগিতার চূড়ায় উঠল তারা, তাও আবার প্রতিপক্ষ ইন্টার মিলানকে গোলবন্যায় ভাসিয়ে দাপুটে এক জয় তুলে নিয়ে।

জার্মানির মিউনিখ শহরের আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় ইতালিয়ান জায়ান্ট ইন্টার মিলানকে ৫-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা ঘরে তোলে প্যারিস সেন্ট-জার্মেইন (পিএসজি)।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়ে পিএসজি। আর তার ফল আসে ১২ মিনিটেই। ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে দুর্দান্ত এক পাস বাড়ান নুনো মেন্ডেস। সেখান থেকে হাকিমি সহজ ট্যাপ-ইনে বল জালে ঠেলে দেন। গোলকিপার কিছুই করতে পারেননি। এই গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি।

৮ মিনিট পরেই পায় দ্বিতীয় গোল। তবে এবার গোলদাতা পিএসজির কেউ নন, ইন্টার মিলানেরই ফেডেরিকো দিমারকো। বক্সের বাইরে থেকে দেজিরে দোয়ের নেওয়া জোরালো শট তার গায়ে লেগে দিক বদলে জালে চলে যায়। গোলটি আত্মঘাতী হিসেবে গণ্য হয়। তবে গোলের কৃতিত্বের বড় অংশই চলে যায় দোয়ের তীক্ষ্ণ উপস্থিতির ওপর।

দ্বিতীয়ার্ধে পিএসজির আধিপত্য আরও বাড়তে থাকে। সেই আধিপত্যের ফসল আসে ৬৩ মিনিটে। মাঝমাঠ থেকে পাওয়া বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিজেই বক্সে ঢোকেন দোয়ে। এরপর ডান পায়ের চিপ শটে ইন্টার গোলকিপারকে পরাস্ত করেন তিনি। এই গোলের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে গোল ও অ্যাসিস্ট করা সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলারের রেকর্ড গড়েন ১৯ বছর বয়সী এই ফরাসি তরুণ।

৭৩ মিনিটে ম্যাচের চতুর্থ ও শেষ গোলটি করেন জর্জিয়ার ফরোয়ার্ড খভিচা কাভারাস্কেইয়া। ডি-বক্সে প্রবেশ করে বাঁ দিক থেকে কটব্যাক শটে বল জালে পাঠান তিনি। ইন্টারের রক্ষণভাগ তখন প্রায় ছত্রভঙ্গ। গোলরক্ষকও দিকভ্রান্ত হয়ে পড়েন খভিচার নিখুঁত ফিনিশিংয়ে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত