২৬ মার্চ, ২০১৫ ২১:২৩
১৯৯২ থেকে ২০১১। টানা ৬টি বিশ্বকাপেই ফাইনালে ছিলো এশিয়ার কোন না কোন দল। বৃহস্পতিবার ভারতের বিদায়ের মধ্য দিয়ে এবার সেই ধারা ভাঙল।
১৯৭৫ থেকে শুরু হওয়া বিশ্বকাপে প্রথম দুটি আসরের চ্যাম্পিয়ন হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম আসরের রানারআপ ছিল অস্ট্রেলিয়া আর দ্বিতীয় আসরে রানারআপ হয়েছিল ইংল্যান্ড। ১৯৮৩ পরাক্রমশালী ওয়েস্ট ইন্ডিয়ানদের হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত।
১৯৮৭ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলেছিল অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ড। সেবারই প্রথম বিশ্বকাপ জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া। এরপর ১৯৯২, ১৯৯৬, ১৯৯৯, ২০০৩,২০০৭, ২০১১।
সবগুলো বিশ্বকাপেই এশিয়ার কোন না কোন দল ফাইনালে খেলেছিল। ১৯৯২ তে ইংল্যান্ড-পাকিস্তান (চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান), ১৯৯৬ তে অস্ট্রেলিয়া- শ্রীলঙ্কা (চ্যাম্পিয়ন শ্রীলংকা), ১৯৯৯ তে অস্ট্রেলিয়া-পাকিস্তান (চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া), ২০০৩-এ ভারত-অস্ট্রেলিয়া (চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া), ২০০৭ -এ অস্ট্রেলিয়া-শ্রীলঙ্কা (চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া), ২০১১ তে ভারত-শ্রীলঙ্কা (চ্যাম্পিয়ন ভারত)। অর্থাৎ প্রায় ২৭ বছর পর বিশ্বকাপ ফাইনাল হবে যেখানে থাকবে না এশিয়ার কোন দল।
সবচেয়ে বেশি টেস্ট খেলুড়ে ৪টি দেশ (বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান) এশিয়া মহাদেশ থেকেই খেলে থাকে। আরও নির্দিষ্ট করে বললে চারটি দলই উপমহাদেশীয়।
ক্রিকেট উন্মাদনায়ও এই চার দেশেরই রয়েছে বেশি প্রাধান্য । এশিয়ার দলগুলো ফাইনাল খেলেছে মোট ৭টি বিশ্বকাপে। তবে সফলতার বিচারে সবাইকে যোজন যোজন ব্যবধানে ছাড়িয়ে এক অস্ট্রেলিয়া।
এবারের বিশ্বকাপ সহ সর্বোচ্চ ৮টি বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠা দলের নাম অস্ট্রেলিয়া। এবারও শিরোপা জিতলে কাপ পূর্ণ হবে তাঁদের পেন্টা জয় আর নিউজিল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন হলে তারা পাবে প্রথমবারের মত বিশ্বজয়ের স্বাদ।
আপনার মন্তব্য