স্পোর্টস ডেস্ক

০৪ অক্টোবর, ২০১৮ ১৯:৫২

তীরে এসে তরী ডুবল বাংলাদেশের যুবাদের

এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতের কাছে সিনিয়রদের হারের একটা প্রতিশোধ নেয়ার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটাররা। অনুর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ ক্রিকেটের সেমিফাইনালে মিরপুর শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ভারতের মুখোমুখি হয়েও সেই জয় তুলে নিতে ব্যর্থ হলো বাংলাদেশের যুবারা। একেবারে তীরে এসে তরি ডুবল তারা। হেরে গেলো মাত্র ২ রানের ব্যবধানে।

বৃহস্পতিবার (৪ অক্টোবর) যুব এশিয়া কাপের সেমি ফাইনালে মিরপুর শের ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ভারতের মুখোমুখি হয়ে ১৭২ রানে অল আউট করে দেয় বাংলাদেশের বোলাররা। ফাইনালে উঠতে তৌহিদ হৃদয়দের প্রয়োজন ছিল ১৭৩ রান। কিন্তু শামিম হোসেন-আকবর আলীর চেষ্টা ব্যর্থ হলো।

১৭৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ৭ রানেই ওপেনার সাজ্জাদ হোসেনকে হারায় বাংলাদেশ। মাহমুদ হাসান জয়ের দ্রুত রান তোলার সুবাদে ভালই এগোচ্ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু দলীয় স্কোরে ১৪ রান যোগ হতেই বাংলাদেশ হারায় দ্বিতীয় উইকেট। মাহমুদও ফেরেন ব্যক্তিগত ২৫ রানে।

অধিনায়ক তৌহিদ হৃদয় মাত্র ৮ রানেই ফিরে যান। তবে এক প্রান্তে শামীমের ব্যাট থামেনি। রিশাদ হোসেন ২ রানে ফিরে গেলে শামীমের সঙ্গে যোগ দেন আকবর। দুজন মিলে বেশখানিকটা এগিয়ে নেন দলকে। আকবর ৪৫ রানে ফিরে গেলে আর কেউই উইকেটে দাঁড়াতে পারেননি।

এক প্রান্ত আগলে রেখে ৫৯ রানে ফেরেন শামীম। এক পর্যায়ে ১৬১ রানেই ২ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। সব শেষ ১৭০ রানেই থেমে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। আবারও সেই ভারতের বিপক্ষে ২ রানের হার।

ভারতের হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন মোহিত জাঙরা ও সিদ্ধার্থ দেসাই। ২টি উইকেট নেন হর্স তেয়াগি ও ১টি উইকেট নেন অজয় গঙ্গাপূরম। 

এর আগে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। কিন্তু ব্যাটিংয়ে নেমেই বাংলাদেশি বোলারদের তোপের মুখে পড়ে ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা। প্রথম আঘাতটি হানেন শরিফুল ইসলাম। দলীয় মাত্র তিন রানেই ওপেনার দেবদূত পাড়িকালকে (১) ফিরিয়ে দেন শরিফুল।

তবে ইয়াশাভি জইশওয়াল ও অনুজ রাওয়াত ৬৬ রানের জুটিতে শুরুর ধাক্কাটা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করে ভারত। কিন্তু ব্যক্তিগত ৩৫ রানে তৌহিদ হৃদয়ের শিকার হয়ে মাঠ ছাড়েন অনুজ। এরপর নিয়মিত বিরতিতেই একে একে ফিরে যান ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা।

পরপর ৩টি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। ৭৭ রানের ৫ উইকেট হারিয়ে ধুকতে থাকা ভারতকে টেনে তোলার দায়িত্ব নেন আইয়ুস বাদনি ও সমীর চৌধুরী। তারা ৫৯ রানের জুটি গড়েন। সবশেষ ১৭২ রানেই থেমে যায় ভারতীয় যুবাদের রানের চাকা।

বাংলাদেশের হয়ে ১৬ রানে ৩ উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম। এছাড়া ২টি করে উইকেট নেন মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, রিশাদ হোসেন ও তৌহিদ হৃদয়।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত