৩০ এপ্রিল, ২০২১ ১৮:১৩
এক বাড়ির ছাগল আরেক বাড়ির বীজতলায় চারা খেয়ে ফেলেছে। এনিয়ে বাগবিতণ্ডা। এক পর্যায়ে দুই পরিবারের মধ্যে বাঁধে সংঘর্ষ।
সংঘর্ষে লাঠির আঘাত ও দা'র কোপে আহত হন সুফিয়ান আহমদ (১৯)। পরে হাসপাতালে আনার পর তিনি মারা যান। সংঘর্ষে সুফিয়ানের বাবা সিদ্দেক মিয়াও (৭০) গুরুতর আহত হন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার চারিকাটা ইউনিয়নের সরুখেল পূর্ব গ্রামের ধান চাষের বীজতলায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। রাতে মারা যান সুফিয়ান। ঘটনার সঙ্গে জড়িত নাছির নামের এক জনকে আটক করেছে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার চারিকাটা ইউনিয়নের সরুখেল পূর্ব গ্রামের সিদ্দেক মিয়ার একটি ছাগল ছানা পাশের বাড়ির হারিছ আহমদ ও নাছির মিয়ার ধান চাষের বীজতলায় চলে যায়। এসময় ছাগলটি ধানের চারা খাওয়ার ঘটনায় দুই পরিবারের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে দুই পরিবারের মধ্যে বাঁধে সংঘর্ষ। সংঘর্ষকালে আব্দুল হেকিমের ছেলে হারিছ আহমদ, নাছির মিয়ার, হারিছ আহমদের ছেলে ইমরান আহমদ লাঠি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপায় সুফিয়ান আহমদ ও তার বাবা সিদ্দেক মিয়াকে।
এতে সুফিয়ান আহমদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টায় মারা যান। নিহতের বাবা সিদ্দেক মিয়াকে গুরুতর আহত অবস্থায় এলাকাবাসী উদ্ধার করে জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক থাকে দ্রুত সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করে।
আহত সিদ্দেক মিয়ার অবস্থা ও আশঙ্কাজনক বলে এ প্রতিবেদকে জানান চারিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ আলম চৌধুরী তোফায়েল।
এ ব্যাপারে জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর আহমদ বলেন, ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পর পুলিশ সাথে সাথে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় এবং স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে জৈন্তাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। এ ঘটনায় সুফিয়ান নামে এক যুবক মারা গেলে পুলিশ তার সুরতহাল রিপোর্ট শেষে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করিলে নাছির নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
আপনার মন্তব্য