২৮ মে, ২০২১ ১২:৪২
এশিয়ার বৃহত্তম হাওর হাকালুকি উন্নয়নে প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন এমপি বলেছেন, ‘হাওরকে কীভাবে আরও দৃষ্টিনন্দন করা যায়, সে বিষয়ে কাজ করতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। পাশাপাশি মাধবকুণ্ড ইকোপার্ককেও দৃষ্টিনন্দন করতে মন্ত্রণালয় থেকে নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এরমধ্যে অন্যতম হচ্ছে ক্যাবল কার স্থাপন। এছাড়া জুড়ীর লাঠিটিলায় বনবিভাগের সাড়ে ৫ হাজার হেক্টর এলাকায় সাফারি পার্ক স্থাপনের কার্যক্রম চলমান আছে। এসব উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে মৌলভীবাজারে পর্যটন শিল্পের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।’
মন্ত্রী বৃহস্পতিবার (২৭ মে) দুপুরে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় তার মন্ত্রণালয়ের কার্যালয় থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমার নির্বাচনী এলাকায় পরিবেশের কোনো ক্ষতি যেন না হয় সে জন্য সকলকে সজাগ থাকতে হবে। কেউ যাতে পাহাড়, টিলা কাটতে না পারে, নদী ভরাট ও দখল করতে না পারে এ বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া পরিবেশ বিনষ্টকারী পলিথিনের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি দেখাতে হবে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার মাদক, চোরাচালানের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। বড়লেখা সীমান্তবর্তী এলাকা। সীমান্ত দিয়ে কোনোভাবে যেন চোরাচালান না হয় সেদিকে বিজিবিসহ সবাইকে তৎপর হতে হবে। সীমান্ত এলাকার জনপ্রতিনিধিদেরও তৎপর হতে হবে।’
বড়লেখা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ।
এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলী, বড়লেখা পৌরসভার মেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন, নারী ভাইস চেয়ারম্যান রাহেনা বেগম হাছনা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রতœদীপ বিশ্বাস, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
পরিবেশমন্ত্রী বক্তব্যে আরো বলেন, ‘বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশে রুপান্তরিত করার জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম লিপিবদ্ধ হয়েছে। বিশ্ববাসী তা গ্রহণ করেছে। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে। উন্নত দেশ গড়তে ২০৩০ সালে এসডিজির লক্ষ্যমাত্র অর্জন করতে চাই। সেই লক্ষ্যে আমাদের বড়লেখা ও জুড়ীকে এগিয়ে নিতে হবে। এজন্য উপজেলা উন্নয়ন কমিটির সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।’
আপনার মন্তব্য