০২ জানুয়ারি, ২০২২ ২০:০৩
সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় আওয়ামীলীগ ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের গুলিবিদ্ধসহ ৪ জন আহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধ ২ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রোববার সকাল ১১টায় উপজেলার তাড়ল গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে।
দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুর রহমান জানিয়েছেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে আসি।গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।
জানা গেছে, চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে উপজেলার তাড়ল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক তাড়ল গ্রামের মো. আহম্মদ চৌধুরী। ওই গ্রামের ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সুফি মিয়া নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের বিরুদ্ধে তুমুল বিরোধিতা করেন। নৌকার বিরুদ্ধে বিএনপি নেতা অপপ্রচারও চালান।
এনিয়ে শনিবার দুপুরে দিরাই বাজারের হাইস্কুল রোডে আহম্মদ চৌধুরীর ছোট ভাই সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সদস্য সুজন চৌধুরীর সাথে সুফি মিয়ার হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে আপোষে নিষ্পত্তির জন্যে চেষ্টা চালালেও সুফি মিয়া এতে রাজি হননি। রাতে তিনি বাদী হয়ে আহম্মদ চৌধুরীকে প্রধান আসামী করে দিরাই থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
গতকাল সকালে আহম্মদ চৌধুরী গ্রামের বিশিষ্টজনদের সাথে নিয়ে বিষয়টি শেষ করতে সুফি মিয়ার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। সুফি মিয়ার বাড়ির সামনে পৌছা মাত্র সুফি মিয়া ও তার পুত্ররা আহম্মদ চৌধুরীর উপর হামলা চালায়। এসময় উভয়পক্ষে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়।আহম্মদ চৌধুরী বলেন, একপর্যায়ে সুফি মিয়ার বাড়ি থেকে তার লোকজনের উপর অবৈধ অস্ত্র দিয়ে গুলি চালানো হয়। এতে কয়েকজন আহত হন।
সুফি মিয়া(৫৫) বলেন, সংঘর্ষে তিনি ও তার পুত্র ইদু মিয়া(৩০) আহত হন এবং প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
এদিকে, গুলিবিদ্ধ আল-আমিন চৌধুরী(৩৮) ও আমিনুর চৌধুরীকে(২৬) দিরাই উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে তাদেরকে ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। বর্তমানে তারা ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
আপনার মন্তব্য