সিলেটটুডে ডেস্ক

১৯ জুলাই, ২০২৬ ২১:০৭

মদিনা মার্কেটে মারামারি: সজিব-রব্বানীর সংশ্লিস্টতা মিলেনি, স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতা বহিষ্কার

আজিজ খান সজিব ও গোলাম রব্বানী

সিলেট নগরীর মদিনা মার্কেট এলাকায় গরুর মাংসের দাম নিয়ে মারামারির ঘটনায় মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজ খান সজিব ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য গোলাম রব্বানীসহ তিনজনের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা পায়নি তদন্ত কমিটি।

রবিবার (১৯ জুলাই) সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। একই সাথে ঘটনার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততা পাওয়ায় ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি গিয়াস উদ্দিনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং মহানগর যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক রিপন চৌধুরীকে বহিষ্কারের সাংগঠনিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৯ মার্চ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে মদিনা মার্কেট এলাকায় একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় জাতীয়তাবাদী দলের নেতাকর্মীরা জড়িত থাকার অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পেলে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল তাৎক্ষণিকভাবে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজ খান সজিব, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য গোলাম রব্বানীসহ ৩ জনকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করেছিল।

পরবর্তীতে ঘটনার সাথে বিএনপির কয়েকজন নেতার সম্পৃক্ততার খবর গণমাধ্যমে এলে সিলেট মহানগর বিএনপি বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ২ সদস্যবিশিষ্ট একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির সদস্যরা হলেন- সিলেট জেলা বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম ইয়াহিয় চৌধুরী সুহেল ও মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট বদরুল ইসলাম চৌধুরী।

তদন্ত কমিটির দাখিল করা প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ওই দিনের ঘটনাটি মূলত গরুর মাংস ক্রয়ের মূল্য নির্ধারণকে কেন্দ্র করে ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি গিয়াস উদ্দিন ও মহানগর যুবদল নেতা রিপন চৌধুরীর মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মারামারিতে রূপ নেয়। এর ফলে দলীয় শৃঙ্খলা ও দলের ভাবমূর্তি বিনষ্ট হয়। তবে উচ্চ পর্যায়ের এই তদন্তে পূর্বে বহিষ্কৃত আজিজ খান সজিব, রাসেল আহমদ খান ও গোলাম রব্বানীর এই ঘটনার সাথে কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ওয়ার্ড বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিন ও যুবদল নেতা রিপন চৌধুরীর দ্বারা সংগঠিত অপরাধের কারণে দলের ভাবমূর্তি বিনষ্ট এবং দলীয় শৃঙ্খলা বিরোধী কার্যক্রম প্রমাণিত হওয়ায় গিয়াস উদ্দিনকে ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সাথে মহানগর যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক রিপন চৌধুরীকে বহিষ্কার করার জন্য মহানগর যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে সাংগঠনিক নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত