১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ২২:৫৮
‘সদ্য প্রয়াত রাধেশ্যাম রায় চন্দন স্যার শুধু একজন নিবেদিত প্রাণ শিক্ষক ছিলেননা, তিনি ছিলেন একজন ক্রীড়া সংগঠক, একজন নাট্য ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। জীবদ্দশায় চন্দন স্যার শিক্ষার বিকাশের পাশাপাশি তিনি আদর্শ সমাজ গঠনে, ক্রীড়াঙ্গনের ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিকাশে উনার মেধা ও প্রতিভার আলো ছড়িয়ে কাজ করে গেছেন নিস্বাঃর্থভাবে। তিনি আপাদমস্তক ছিলেন একটি প্রতিষ্ঠান। শিক্ষার্থী, ক্রীড়াঙ্গন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে জড়িতদের কাছে তিনি ছিলেন বটবৃক্ষ। চন্দন স্যারের চলে যাওয়াতে কুলাউড়ার শিক্ষাঙ্গন, ক্রীড়াঙ্গন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে যে শুন্যতা হয়েছে সেটি পূরণ হওয়ার নয়।’
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার প্রাচীনতম বিদ্যাপিঠ নবীন চন্দ্র মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সদ্য প্রয়াত রাধেশ্যাম রায় চন্দনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে নাগরিক শোকসভার বক্তারা এ কথাগুলো বলেন।
শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সম্মিলিত নাগরিক সমাজের আয়োজনে কুলাউড়া পৌর হলরুমে এ নাগরিক শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়। শোকসভার শুরুতে শিক্ষক রাধেশ্যাম রায় চন্দনের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
পৌর মেয়র অধ্যক্ষ সিপার উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ও জাসদ নেতা ময়নুল ইসলাম শামীমের সঞ্চালনায় শোকসভায় স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম সফি আহমদ সলমান, কুলাউড়া সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মনতোষ রায়, সাবেক অধ্যক্ষ সৌম্য প্রদীপ ভট্টাচার্য সজল, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো; আব্দুল হান্নান, বিশিষ্ট টি প্লান্টার মানবেন্দ্র দেব রায় বাচ্চু, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক গৌরা দে, কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নেহার বেগম, কুলাউড়া সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো: শাহাজাহান, কুলাউড়া মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষ মো: আব্দুল কাদির, কুলাউড়া ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি বদরুজ্জামান সজল, কুলাউড়া নবীন চন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো: মোবারক হোসেন, সংগঠক রফিকুল ইসলাম টিপু, ক্যামেলিয়া ডানকান হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক নিপেন্দ্র কুমার, কর্মধা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুস শহীদ বাবুল প্রমুখ।
আপনার মন্তব্য