১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:৩২
আটকের ২০ ঘন্টার মধ্যে থানা থেকে ছাড়া পেয়েছেন হবিগঞ্জের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যসচিব মাহদী হাসান।
মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা থেকে ছাড়া পান তিনি। মাহদীর সাথে আটক বাকী দুজনকেও ছেড়ে দেয় পুলিশ। অপর দুজন হলেন- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মির্জা সুমন ও রাকিব।
এরআগে সোমবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে লোডশেডিং, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, গ্যাসের সংকট নিরসন এবং দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতিকালে শহরের কোর্ট মসজিদের সামনে থেকে মাহদী হাসানসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছিলো।
মাহদীসহ তিনজনকে ছাড়া ও আটকের ব্যাপারে মঙ্গলবার কোন কথা বলতে রাজী হননি হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক।
তবে সোমবার আটকের পর তিনি বলেছিলেন, প্রশাসনের অনুমতি না নিয়ে ‘ছাত্র-জনতা’র ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। বিশৃঙ্খলার আশঙ্কায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মিছিলের অনুমতি দেওয়া হয়নি। প্রশাসনের বাধা উপেক্ষা করে আয়োজকেরা জড়ো হলে ঘটনাস্থল থেকে মাহদী হাসানসহ তিনজনকে আটক করা হয়।
সোমবার মাহদীকে আটকের আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মির্জা সুমন ও রাকিবকে আটক করা হয় বলে জানা গেছে।
আর ছাড়া পাওয়ার পর মাহদী হাসানসহ তিনজন স্লোগান দিতে দিতে থানা প্রাঙ্গণ থেকে বেরিয়ে আসেন।
আটকের নিন্দা জানিয়ে এসময় মাহাদী বলেন, পুলিশ সম্পূর্ণ বেআইনীভাবে কোন কারণ ছাড়াই আমাকে আটক করেছে। থানাতে আমাদের সাথে যাচ্ছেতাই আচরণ করা হয়েছে।
নতুন বাংলাদেশে হাসিনাস্টাইলে আমাদের তুলে নিয়ে আসা হয় তারচেয়ে জঘন্য আরকিছু হতে পারে না। কোন আইনে কোনো মামলা ছাড়া আমাকে ২৪ ঘন্টা থানায় আটকে রাখা হয়েছে তা আমি জানতে চাই।
তিনি বলেন, মিছিল করা আমার সাংবিধানিক অধিকার। এরজন্য পুলিশের অনুমতি লাগবে কেন?
আপনার মন্তব্য