নিজস্ব প্রতিবেদক

২৫ মে, ২০১৬ ১০:৪৬

বেতন বৃদ্ধির প্রতিবাদে স্কলার্সহোমের ৬ ক্যাম্পাসের সামনে অভিভাবকদের বিক্ষোভ

হঠাৎ করে এক লাফে ৬০০ টাকা বেতন বাড়ানোর প্রতিবাদে সিলেটের স্কলার্সহোম স্কুলের ৬টি ক্যাম্পাসে (সাপ্লাই, শাহী ঈদগাহ, পাঠানটুলা, শিবগঞ্জ, দক্ষিণ সুরমা ও মেজরটিলা) একযোগে  মানববন্ধন, অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন অভিভাকেরা।

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী মঙ্গলবার (২৫ মে) সিলেট নগরীর স্কুলার্সহোমের ৬ ক্যাম্পাসের সামনে বিপুল সংখ্যক অভিভাবক প্রতিবাদে যোগ দেন। এসময় তারা আগামী ৩১ মের মধ্যে বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা প্রত্যাহার না করলে একযোগে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন।

তারা জানান, জেলা প্রশাসকের পাশাপাশি ট্রাষ্টিবোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপি দেবেন অভিভাবক ফোরাম। তাতেও যদি কর্তৃপক্ষ আলোচনায় না বসেন ও সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করেন, তবে ৩০ মে'র পর থেকে কঠোর কর্মসূচী দেয়া হবে বলে।



মঙ্গলবার সকাল সাড়ে আটটা থেকেই নগরীতে প্রতিষ্ঠানটির ৬টি ক্যাম্পাসে একযোগে মানববন্ধনে অংশ নেন সহস্রাধিক অভিভাবক। স্কলার্সহোম, সাপ্লাই রোড ক্যম্পাস এর অভিভাবক ফোরামের আহবায়ক শেখ মোঃ. আজাদ বক্তব্যে বলেন,


"জানুয়ারি থেকে সেসন শুরু হলেও বছরের মাঝামাঝি সময়ে হঠাৎ করেই বেতন দ্বিগুণ করার নির্দেশনা দেয় কর্তৃপক্ষ। ফলে অধিকাংশ অভিভাবকই বিপাকে পরেছেন। একাধিকবার এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেও কোনো ফল হয়নি।"




দাবী আদায়ে ২৬ মে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করার ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা। আগামী ৩১ মে’র মধ্যে বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করলে সকল ক্যাম্পাসে একযোগে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেন অভিভাবক ফোরামের নেতৃবৃন্দ।

এতে আরও বক্তব্য রাখেন বক্তব্য রাখেন অভিভাবক ফোরামের সদস্য সচিব তাজ উদ্দিন খান আলম, সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ শাহজাহান, অধ্যাপক ছুরাব আলী, সাংবাদিক ফারুক আহমদ, মো: আমিরুজ্জামান, সামছুল ইসলাম চৌধুরী, সুমন আহমদ, শাহানা খানম, নিগার সুলতানা ডেইজী, শাহানা বেগম, শামীমা ইসলাম, জেনী চৌধুরী প্রমুখ।

অভিভাবকরা জানান- স্কলার্সহোম স্কুল এ- কলেজের প্লে-গ্রুপ থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত মাসিক বেতন ১৪০০ টাকা নেয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী বছরের শুরুতে বেতন বৃদ্ধি হওয়ার কথা। শিক্ষার্থী ভর্তি করার সময় অভিভাবকদের কাছ থেকে আগামী বছরের শুরুতে ২০০টাকা বৃদ্ধি হবে এমন আঙ্গিকারনামা নিয়েছিলেন প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। কিন্তু বছরের মাঝামাঝি সময় এসে কর্তৃপক্ষ মাসিক বেতন ১৪০০টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা ধার্য করে দিয়েছেন। এতে বিপাকে পড়েছেন অভিভাবকরা।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত