এমডি মুন্না, জগন্নাথপুর

০৩ জুলাই, ২০১৬ ২১:২৭

জগন্নাথপুরে শেষ সময়ে জমে উঠেছে ঈদ বাজার

সুনামগঞ্জ জেলার প্রবাসী অধ্যুষিত উপজেলা জগন্নাথপুরে অবশেষে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। অন্যান্য বছর ১৫ থেকে ২০ রমজানের মধ্যে ঈদ বাজার জমে উঠলেও এবার জমতে একটু দেরি হয়েছে।

এবার আর্ন্তজাতিক বাজারে ডলার ও পাউন্ডের দাম কমে যাওয়ার কারণে ঈদবাজার জমতে দেরী হয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

তাদের মতে, প্রতি বছর প্রবাসী আত্মীয়-স্বজনের পাঠানো টাকায় উপজেলার অধিকাংশ পরিবারে ঈদ হয়। এবার প্রবাসীরা টাকা পাঠাতে দেরি করায় এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তবে শেষ সময়ে এসেছে জমে ওঠেছে ঈদ বাজার।  উপজেলার মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের লোকজন স্থানীয় বাজারেই সেরে নিচ্ছেন কেনাকাটা।

শনিবার জগন্নাথপুর সদর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারের প্রতিটি কাপড়ের দোকানে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। ক্রেতারা যার যার সাধ্যমতো কেনাকাটায় ব্যস্ত। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার পণ্যের দাম বেশি হওয়ায় চাহিদা অনুযায়ী পণ্য কিনতে পারছেন না বলে ক্রেতাদের মধ্যে অনেকে জানিয়েছেন।

তবে বিক্রেতারা জানান, এবার সরকার ভ্যাট ও ট্যাক্স বৃদ্ধি করায় কাপড়ের দাম একটু বেশি থাকলেও উন্নতমানের পণ্য পেয়ে ক্রেতারা সন্তোষ্ট আছেন।

জগন্নাথপুর বাজারের অভিজাত বিপনি বিতান ফ্যামেলি শপ, বিন্দুজ, নিউ ঝলক ফ্যাশন, আসল ঝলক ফ্যাশন, রুপনগর, সালমান ফ্যাশনসহ প্রতিটি দোকানে ঈদ উপলক্ষে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে অতিরিক্ত আলোকসজ্জা করা হয়েছে।

এছাড়া উপজেলার প্রতিটি হাট-বাজারেও ঈদ বাজার জমে উঠেছে। ফুটপাতের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ করা গেছে। সেই সাথে পছন্দের জুতা কিনতে নামীদামী জুতার দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভীড় দেখা যায়।

জগন্নাথপুর বাজারের অভিজাত বিপনি বিতান ফ্যামেলি শপের সত্ত্বাধিকারী আলী নুর রহমান জানান, অন্যান্য বছর আগে ঈদ বাজার জমলেও এবার জমতে একটু দেরি হয়েছে। তবে অবশেষে ঈদ বাজার জমে উঠায় বেছাকেনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি বলেন, এবার ক্রেতাদের মধ্যে তরুণদের বেশি পছন্দ আইপিএল প্যান্ট, বাজরাঙ্গি ভাইজান, পাঞ্জাবী, ফতোয়া, টিশার্ট ইত্যাদি। তরুণীদের পছন্দ ভারতীয় পণ্য সাহারা, দিলওয়ালে, সনমদে, বাজিরাও মাস্তানী ও লেহেঙ্গা। শিশুদের পছন্দ স্কাট, লেহেঙ্গা, ইত্যাদি।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত