সিলেটটুডে ডেস্ক

১৪ জুলাই, ২০১৬ ০০:১০

ফাঁসির আগে ‘বনফুলের মিষ্টি’ খেতে চেয়েছিলেন মাকু রবি দাস

প্রতিবেশীকে হত্যার দায়ে মাকু রবি দাসের (৪৭) ফাঁসি কার্যকর হয় মঙ্গলবার (১২ জুলাই) রাত ১২টা ১ মিনিটে।

এর আগে তার শেষ ইচ্ছা পূরণ করে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ।

শেষ ইচ্ছা হিসেবে মাকু রবিদাস কারা কর্তৃপক্ষের কাছে বনফুলের মিষ্টি খেতে চেয়েছেন। তার ইচ্ছানুযায়ী এক কেজি বনফুলের মিষ্টি কিনে দেন কারা কর্মকর্তারা।

একই সঙ্গে নারকেল, ডাব, পোলাও খেতে চেয়েছেন মাকু রবিদাস। সেগুলোও নিজ খরচে কিনে এনে খেতে দেয় কারা কর্তৃপক্ষ।

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাসুদ পারভেজ মঈন বলেন, শেষ ইচ্ছা পূরণের পাশাপাশি তার পরিবারের লোকজনের দেওয়া খাবার পরীক্ষা-নীরিক্ষা শেষে খেতে দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার রাত ১২ টা ১ মিনিটে মাকু রবি দাসের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। ফাঁসি কার্যকরের পর কারাগারের নিয়ম-নীতি অনুসরণ করে মরদেহ তার স্বজনদের হাতে রাতেই তুলে দেওয়া হয়।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত মাকু রবিদাস হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার দারাগাওয়ের সমাধনী রবি দাসের ছেলে।

২০০৩ সালের ৯ সেপ্টেম্বর হবিগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত নাইনকা রবিদাস হত্যা মামলায় (দায়রা ৫৭/২০০২) মাকু রবিদাসকে মত্যুদণ্ডাদেশ দেন।

২০০১ সালের ৩১ অক্টোবর রাতে মাত্র ২ হাজার টাকার বিনিময়ে প্রতিবেশী নাইনকা রবিদাসকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন তিনি।

পরবর্তীতে মাকু রবিদাস জেল আপিল (জেল পিটিশন নং-০৩/২০০৭) করলেও তার মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখেন হাইকোর্ট। সর্বশেষ রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন জানালে তাও নামঞ্জুর হয়।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত