১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ ১৫:১৬
সমাজকল্যান মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলীর মৃত্যুতে মৌলভীবাজার শহরের ৩৬ শ্রীমঙ্গল সড়কের তাঁর বাসভবনে ঢল নেমেছে শোকার্ত মানুষে। মৃত্যু সংবাদ পাওয়ার পর থেকেই বাড়িটিতে ছুটে আসছেন নানা শ্রেণী ও পেশার মানুষ। রাজনৈতিক নেতাকর্মী, প্রশাসনের কর্মকর্তারাও জড়ো হয়েছেন বাড়িটিতে।
মৌরভীবাজারের মাটি ও মানুষের এই নেতার জন্য চোখের জল ফেলছেন অনেকে। স্থানীয় উন্নয়নে তাঁর অবদান ও জীবনের নানা ঘটনা নিয়ে আলোচনায় মেতে উঠেছেন বাড়িতে জড়ো হওয়া শোকাহতরা। মহসিন আলীর মুক্তিযুদ্ধে অবদান নিয়েও নিজেদের মধ্যে আলোচনায় মেতে উঠেছেন তারা।
সৈয়দ মহসিন আলী এমপি আজ বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৫৯ মিনিটে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তিনি নিউমোনিয়া, হৃদরোগ, কিডনি, লিভার জটিলতা এবং শাস কষ্টে ভোগছিলেন।
এদিকে, আজ রাতে তাঁর মরদেহ দেশে নিয়ে আসা হতে পারে বলে পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে।
তাঁর ছোট ভাই সৈয়দ সলমান আলী জানান, লাশ দেশে আসার পর ঢাকায় আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরহুমের নামাজে-জানাযা মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। পরে হযরত সৈয়দ শাহ মোস্তফা (রঃ) এর দরগাহ প্রাঙ্গণে দাফন করা হবে। জানাযার সময় পরে জানানো হবে।
সৈয়দ মহসিন আলী বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং মৌলভীবাজার পৌরসভার টানা তিনবারের চেয়ারম্যান হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২৩ বছর বয়সে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। একজন সৎ রাজনীতিবিদ হিসেবে নিজের সম্পদ বিক্রি করে রাজনীতি করেছেন বলে তাঁর সুখ্যাতি ছিলো।
মহসিন আলীর মৃত্যুতে নিজ জেলা মৌলভীবাজার এবং পুরো সিলেট বিভাগে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে তাঁর বাড়িতে ক্বোরআন খতম এবং শোক বই খোলা হয়েছে।
মৃত্যুকালে তিনি তিন মেয়ে, স্ত্রী সহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
আপনার মন্তব্য