১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:৫২
স্ট্রিক্টলি স্পিকিং, অধ্যাপক ইউনূসের সাথে যেটা হয়েছে সেটা ‘হেকলিং’-এর টেক্সটবুক ইক্সাম্পল।
ইউরোপ-আমেরিকায় রাজনীতিবিদরা নিয়মিত হেকলিংয়ের শিকার হন, এবং ক্ষমতাধর মানুষদের একাউন্টেবিলিটি নিশ্চিত করায় হেকলিংয়ের বড় ভূমিকা আছে।
হেকলিং কোনো অপরাধ নয়, আপনি চাইলে আমেরিকার আদালত-পুলিশের শরণাপন্ন হোন, তারা কেউ এটাকে অপরাধ বলবে না।
হেকলিং আর মব-ভায়োলেন্স এক নয়। মব-ভায়োলেন্স ফৌজদারি অপরাধ, যেটা ইউনূসের সময়ে লাগামহীনভাবে ঘটেছে। সারাদেশে।
হেকলিংয়ের অধিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনীতিক অধিকার। এ অধিকার রক্ষা করতে হবে। কারণ ক্ষমতাধর মানুষের বিরুদ্ধে ক্ষমতাহীন মানুষের শেষ অস্ত্র হেকলিং।
হেকলিং কী?
হেকলিং হলো কোনো ক্ষমতাধর মানুষকে, যাকে সহজে বিচারের মুখোমুখি করা যায় না, তাকে হঠাৎ ঘিরে ধরে চিৎকার-চেঁচামেচি করা, গালিগালাজ করা, কিন্তু তার গায়ে হাত না তোলা।
গায়ে হাত তুললেই সেটা অপরাধ। তখন পুলিশ আসতে পারে, গ্রেপ্তার করতে পারে, মামলা হতে পারে।
ইউনূসের ঘটনায় আমেরিকান পুলিশ বা সরকারের কিছুই করার নেই, কারণ এ ধরনের নন-ভায়োলেন্ট হেকলিং মার্কিন সংবিধানের ফার্স্ট অ্যামেন্ডমেন্ট দ্বারা সুরক্ষিত।
[লেখাটি ফেসবুক থেকে নেওয়া]
আপনার মন্তব্য