২৫ জানুয়ারি, ২০১৭ ১৩:৩৩
পিঠা উৎসবের সঙ্গে মিশে আছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির অনুষঙ্গ। বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বন। ষড়ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। প্রতিটি ঋতু স্বমহিমায় আমাদের বাঙ্গালি সংস্কৃতির সাথে জড়িয়ে আছে ওতোপ্রোত ভাবে। পিঠা পায়েস পুলি নাড়ূর কথা উঠলেই শীত ঋতু আমাদের সামনে এসে পড়ে। যার প্রভাব বাঙ্গালী সমাজ ও জাতীয় জীবনে অনস্বিকার্য। প্রতি শীতে শুরু হয় ঘরে ঘরে পিঠা পুলির উৎসব।
বাঙ্গালি সংস্কৃতির এই বর্ণাঢ্য আয়োজনকে নতুন প্রজন্মের কাছে উপস্থাপন করার জন্য শ্রুতি সিলেট প্রতিবারের মত এবারও আয়োজন করছে পিঠা উৎসব। আগামী শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) সিলেট পুলিশ লাইন উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে দিনব্যাপী এ আয়োজন।
এবারের আয়োজন পিঠা উৎসবের এক যুগের আয়োজন। দিনব্যাপী আয়োজনে থাকবে পিঠা মেলা, প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা এবং বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক আয়োজন। উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার জামাল উদ্দিন আহমদ। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য বেলায়েত হোসেন এবং পুলিশ লাইন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: শাহ আলম।
দিনব্যাপী আয়োজনে থাকছে বাঁশি সপ্তসুরে আহ্বান, সম্মেলক পরিবেশনা, একক পরিবেশনা, আবৃত্তি, নৃত্য ইত্যাদি। এতে অংশ নেবেন আহসান উল্লাহ তমাল, আবু নাসের মানিক, মো: মুজাহিদুল ইসলাম, ফরিদপুরের লোক সংগীত শিল্পী শ্যামল পাল ও তার দল, প্রদীপ মল্লিক, সুবর্ণা দাশ মুন প্রমুখ। সকাল ১১ টায় অনুষ্ঠিত হবে বিষয় এবং বিভাগ ভিত্তিক চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা। সমবেত সংগীত পরিবেশন করবে অনুষ্ঠান আয়োজক শ্রুতি সিলেট, জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ, গীতবিতান বাংলাদেশ, সংগীত পরিষদ, নৃত্যশৈলী, ছন্দ নৃত্যালয়, মৃত্তিকায় মহাকাল, মাভৈ-শাবিপ্রবি, শিকড়-শাবিপ্রবি, উদীচী, নগরনাট, দ্বৈতস্বর, নর্থ ইস্ট ইউনির্ভাসিটি কালচারাল ক্লাব, বকুলতলা, সুরের ভূবন, নাট্যম সংগীত বিদ্যালয় প্রমুখ।
পিঠা উৎসবে সকলের উপস্থিতি কামনা করেছে আয়োজক সংগঠন শ্রুতি সিলেট।
আপনার মন্তব্য