COVID-19
CORONAVIRUS
OUTBREAK

Bangladesh

Worldwide

48

Confirmed Cases,
Bangladesh

05

Deaths in
Bangladesh

15

Total
Recovered

664,731

Worldwide
Cases

30,892

Deaths
Worldwide

142,427

Total
Recovered

Source : IEDCR

Source : worldometers.info

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৫ ফেব্রুয়ারি , ২০২০ ১৫:৫২

৭ মার্চকে ‘জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস’ ঘোষণার নির্দেশ হাই কোর্টের

আগামী ১ মাসের মধ্যে ৭ মার্চকে ‘জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস’ ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশের নির্দেশনা দিয়েছেন হাই কোর্ট,

মঙ্গলবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাই কোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

এছাড়া প্রত্যেক জেলা-উপজেলায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি যথাযথ স্থানে স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন।

এসব বিষয়ে আগামী ১ মাসের মধ্যে হাই কোর্টের সংশ্লিষ্ট বিভাগে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশও দিয়েছেন আদালত।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ড. বশির আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

পরে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার জানান, ৭ মার্চকে ঐতিহাসিক জাতীয় দিবস ঘোষণা করে আগামী এক মাসের মধ্যে গেজেট প্রকাশ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। এ আদেশের ফলে ৭ মার্চ জাতীয় দিবস হিসেবে প্রতিপালিত হবে। প্রশাসনের উচিত এক মাসের মধ্যে গেজেট নোটিফিকেশন করা। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে রাষ্ট্রীয়ভাবে দিবসটি পালিত হবে।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আরও জানান, মুজিববর্ষের মধ্যে দেশের প্রত্যেকটি জেলা ও উপজেলা কমপ্লেক্সে রাষ্ট্রীয় খরচে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছেন।

এছাড়া প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্য পুস্তকে ৭ মার্চের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস অন্তুর্ভুক্তির কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

এরআগে ২০১৭ সালের ২০ নভেম্বর ৭ মার্চকে ঐতিহাসিক জাতীয় দিবস হিসেবে কেন ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাই কোর্ট।

স্বাধিকার থেকে বাঙালির মুক্তির সংগ্রামের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৭ কোটি বাঙালিকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি ঘোষণা দেন, “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম- এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।”

ওই ভাষণের ১৮ দিন পর পাকিস্তানি বাহিনী বাঙালি নিধনে নামলে বঙ্গবন্ধুর ডাকে শুরু হয় প্রতিরোধ যুদ্ধ। নয় মাসের সেই সশস্ত্র সংগ্রামের পর আসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা। একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর পরাজিত পাকিস্তানি সেনাবাহিনী সেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই আত্মসমর্পণের দলিলে সই করে।

বিভিন্ন দেশের ৭৭টি ঐতিহাসিক নথি ও প্রামাণ্য দলিলের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে ‘ডকুমেন্টারি হেরিটেজ’ হিসেবে ‘মেমোরি অফ দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে’ যুক্ত করেছে ইউনেস্কো।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত