নিউজ ডেস্ক

০১ জানুয়ারি, ২০১৫ ০০:৫৬

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দীতে জাতীয় পার্টির ‘মিলিয়ন ম্যান শো’

নব্বুইয়ের গণআন্দোলনে এরশাদের পতনের পর প্রথম বারের মতো সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে গণসমাবেশ করতে যাচ্ছে এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি


জাতীয় পার্টির ২৯তম প্রতিষ্ঠাবাষির্কী ১ জানুয়ারি। এ দিনটিতে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশে দশ লাখ লোকের জমায়েত করার পরিকল্পনা নিয়ে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা। মহাসমাবেশের নাম দেয়া হয়েছে মিলিয়ন ম্যান শো


 

তবে আশঙ্কার জায়গার নাম জামায়াতের হরতাল। জাতীয় পার্টির মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু  জামায়াতে ইসলামীর ডাকা হরতাল প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে বলেন- আমরা দেড় মাস আগে কর্মসূচি দিয়েছি। আমরা কারো কর্মসূচিতে পাল্টা কর্মসূচি দেই না।  



 

নব্বুইয়ে ক্ষমতা ছেড়ে দেয়ার পর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় পার্টির এটিই প্রথম মহাসমাবেশ। আর মহাসমাবেশ থেকে নতুন বার্তা দিতে চান দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। কারণ তিনি নিজেই আছেন বিবিধ চাপে। দলের নেতাকর্মিরা সরকারের মধ্যে থেকে বিরোধীদলের ভূমিকায় দলকে দেখতে অনাগ্রহী।


 


জাপা সূত্রে জানা গেছে, রাজধানী ঘিরে মূলত বড় আয়োজন। মহাসমাবেশ সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।  গত ৩ সপ্তাহ ধরে বিরামহীন প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে দলের কেন্দ্রীয় কমিটি, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার নেতাকর্মীরা। সঙ্গে আছেন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও। কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে ইতিমধ্যে ঢাকা শহরে বিভিন্ন স্থানে শতাধিক বিলবোর্ড লাগানো হয়েছে। এছাড়া এক হাজারেরও বেশি ফেস্টুন ও কয়েক লাখ পোস্টার লাগানো হয়েছে। বিশটির মতো তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে।


 


বিগ বাজেটের এই মহাসমাবেশের অর্থের উৎস নিয়ে ইতোমধ্যেই প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। অনেকেই এই সমাবেশ ঘিরে সরকারের আর্থিক সহযোগিতার বিষয়ে ইঙ্গিত করলেও জাপা মহাসচিব জিয়াউদ্দিন বাবলু অস্বীকার করেছেন।



দলীয় সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ মহাসমাবেশের ডাক দেয়া হলেও জাতীয় পার্টির মূল লক্ষ্য দলের সর্বোচ্চ শক্তি প্রদর্শন করা। এজন্য মহাসমাবেশ সফল করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছেন দলটির নেতাকর্মীরা।

 

আপনার মন্তব্য

আলোচিত