সিলেটটুডে ডেস্ক

২৫ মে, ২০১৬ ২১:৪১

তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে সরিয়ে আনা হচ্ছে

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার কেন্দ্র করে তুরস্কের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের অবনতিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। গত ৫ মে যুদ্ধাপরাধী মতিউর রহমান নিজামীর  ফাঁসি কার্যকরের পর এর প্রতিবাদে তুরস্ক তাদের ঢাকাস্থ রাষ্ট্রদূতকে সরিয়ে করে নেয়ার  দু’সপ্তাহ পর আঙ্কারায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকেও তলব করে ডেকে পাঠিয়েছে ঢাকা।

যদিও দুই দেশই আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়নি। তবে বাংলাদেশের কোন নাগরিককে আপাতত তুরস্কে যেতে না দেয়ার জন্য একধরনের মৌখিক বিধিনিষেধ রয়েছে বলে জানা যায়।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী বুধবার বলেন, পরামর্শের জন্য রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন জাপান সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, তুরস্ক এখনো রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার বিষয়ে কিছু জানায়নি।

মন্ত্রী বলেন, অন্য দেশ থেকে রাষ্ট্রদূত ডেকে পাঠানো একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এর আগে জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসি নিয়ে তুরস্কের বর্তমান সরকার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে। একই সঙ্গে একাত্তরের আল বদর নেতা নিজামীর ফাঁসির নিন্দা না জানানোয় দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমালোচনা করে বিবৃতি দেন।

দিল্লি তুরস্কের রাষ্ট্রদূত বুরাক আকচাপার গত সপ্তাহে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, নিজামীকে ফাঁসি দিয়ে বাংলাদেশ বড় ধরনের ভুল করেছে। তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলী দাবি করেন, তুরস্কের সাথে সম্পর্কে কোনো টানাপোড়েন নেই। সম্পর্ক স্বাভাবিক, অসুবিধা নেই।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত