বেগম খালেদা জিয়াকে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ ফোন করেছিলেন বলে জানিয়েছিলেন চেয়ারপাসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল। তা সঠিক নয় বলে জানা গেছে একাত্তর টিভির অনুসন্ধানে ।
প্রচারিত সংবাদ থেকে জানা যায়, বেগম খালেদা জিয়ার অফিস থেকেই বরং বিজেপি সভাপতি অমিত শাহকে ফোন করা হয়েছিল কিন্তু টেলিফোন লাইনে সমস্যা থাকায় তাদের মধ্যে কোন কথা হয়নি- খবরটি নিশ্চিত করেছে ভারতীয় উচ্চপদস্থ কূটনৈতিক সূত্র ।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিএনপির প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছিল অমিত শাহ বিএনপি চেয়ারপারসনকে ফোন করে তাঁর স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিয়েছিলেন।
মারুফ কামাল কেন এই মিথ্যা ফোনালাপের কথা বলেছিলেন সে সম্পর্কে এখনও তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিষয়টিতে ভারতীয় হাই কমিশন উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। হাই কমিশনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সূত্রটি জানায়, খবরটি মিথ্যা। বিজেপি সভাপতি খালেদা জিয়াকে ফোনও করেন নি, কথাও বলেন নি।
হাই কমিশনের বরাতে দায়িত্বশীল সূত্রটি আরও জানায়, হাই কমিশনে তথ্য রয়েছে, গত রাতে খবরটি প্রচারিত হওয়ার পর শুক্রবার বিষয়টি নিয়ে অমিত শাহকে ফোন করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। তিনি টেলিফোনের বিষয়টি জানতে চাইলে অমিত শাহ তাকে বলেন, বাংলাদেশ থেকে দু দফা তার দফতরে ফোন গিয়েছিলো। কিন্তু তাদের মধ্যে কোনও কথা হয় নি।
হাই কমিশন নিশ্চিত করে, অমিত শাহ কোনও ফোন করেননি, এবং কথাও বলেননি।
বিএনপির পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিয়েছেন ভারতীয় জনতা দল (বিজেপি) সভাপতি অমিত শাহ। বুধবার রাতে তিনি ফোনে খালেদা জিয়ার সঙ্গের কথা বলেন। এ সময় তার আশু সুস্থতা কামনা করেন। এমন সৌজন্য দেখানোর জন্য খালেদা জিয়া এই শীর্ষ বিজেপি নেতাকে ধন্যবাদ জানান।
আপনার মন্তব্য