সিলেটটুডে ডেস্ক

২১ মার্চ, ২০২৫ ০৮:০৬

ডেনমার্কের কাছে পর্তুগালের ও ক্রোয়েশিয়ার কাছে ফ্রান্সের হার

উয়েফা নেশন্স লিগ

ডেনমার্কের বিপক্ষে টানা তিন জয়ের পর এবার হেরে গেছে পর্তুগাল। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দলের বিপক্ষে গোল করে রোনালদোর ট্রেডমার্ক উদযাপন করলেন ডেনমার্কের রাসমুস হয়লুন।

বৃহস্পতিবার কোপেনহেগেনে কোয়ার্টার-ফাইনালের প্রথম লেগে ১-০ গোলে জিতেছে স্বাগতিকরা।

ম্যাচ শুরু হতেই বিপদে পড়তে যাচ্ছিল পর্তুগাল। গোলরক্ষক কস্তা শট নেওয়ার সময় পা বাড়িয়ে দেন সামনেই থাকা ডেনিশ ফরোয়ার্ড মিকা বিয়েরেথ, তার পায়ে লেগে বল গোলের দিকে ছুটছিল। স্লাইড করে গিয়ে বল ধরে বাইরে পাঠান কস্তা।

অষ্টম মিনিটে ডেনিশ রক্ষণে প্রথম ভীতি ছড়ায় পর্তুগাল। পেদ্রো নেতোর ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া জোরাল শট ঝাঁপিয়ে ফেরান কাসপের স্মাইকেল।

২৩তম মিনিটে পর্তুগালের ডি-বক্সে তাদের মিডফিল্ডার রেনাতো ভেইগার হাতে বল লাগলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। ক্রিস্তিয়ান এরিকসেনের স্পট কিক ডান দিকে ঝাঁপিয়ে রুখে দেন কস্তা।

৩৪তম মিনিটে উল্লেখযোগ্য প্রথম প্রচেষ্টা চালান ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, তবে তার হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। শুরু থেকে আক্রমণে আধিপত্য করা ডেনমার্ককে দুই মিনিট পর আবার হতাশ করেন কস্তা; বিয়েরেথের শট দারুণ ক্ষিপ্রতায় রুখে দেন তিনি। কিছুক্ষণের মধ্যে আবার ডেনিশদেন হানা, এই দফায় এরিকসেনের শট গোললাইনে ফেরান ডিফেন্ডার দিয়োগো দালোত।

পোস্টে ব্যস্ত সময় কাটানো কস্তা দ্বিতীয়ার্ধের দশম মিনিটে আরেকটি দারুণ সেভ করেন, ঝাঁপিয়ে ঠেকান গুস্তাভ ইসাকসেনের শট। বদলি নামার নবম মিনিটে গোল পেতে পারতেন হয়লুন, তবে তার শট একটুর জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

৭৮তম মিনিটে পাসিং ফুটবলে শাণানো আক্রমণে বক্সে সতীর্থের পাস পেয়ে ঠাণ্ডা মাথায় প্লেসিং শট কস্তার প্রতিরোধ ভাঙেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ফরোয়ার্ড।

আগামী রোববার পর্তুগালের মাঠে হবে ফিরতি লেগের ম্যাচটি।

এমবাপের ফেরার ম্যাচে ফ্রান্সকে হারাল ক্রোয়েশিয়া

এমবাপের ফেরার ম্যাচে ফ্রান্সকে হারিয়ে এগিয়ে রইল ক্রোয়েশিয়া

ছয় মাস পর দলে ফিরেছিলেন কিলিয়ান এমবাপে, কিন্তু তার ফেরা সত্ত্বেও হেরে গেছে ফ্রান্স।

উয়েফা নেশন্স লিগের সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়েছে ক্রোয়েশিয়া।

স্বাগতিকদের নায়ক ইভান পেরিসিচ। গোল করান ও করেন ৩৬ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।

পঞ্চম মিনিটেই একটি পেনাল্টি পায় ক্রোয়েশিয়া। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি আন্দ্রে ক্রামারিচ। তার দুর্বল শট পা দিয়ে ঠেকান গোলরক্ষক মাইক মিয়াঁ।

২৬তম মিনিটে পেরিসিচের ক্রসে হেডে দলকে এগিয়ে নেন আন্তে বুদিমির। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে বুলেট গতির শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পেরিসিচ।

ম্যাচে এমবাপের বেশ কয়েকটি শট ঠেকিয়ে দেন ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক দমিনিক লিভাকভিচ।

পুরো ম্যাচে গোলের জন্য ১৬টি শট নিয়ে ৬টি লক্ষ্যে রাখতে পারে ফ্রান্স। আর ক্রোয়েশিয়ার ৮ শটের ৪টি লক্ষ্যে ছিল।

ফ্রান্সের বিপক্ষে প্রথম ৯ বারের দেখায় ক্রোয়েশিয়ার জয় ছিল না একটিও (৬ হার, ৩ ড্র)। সেখানে পরপর দুই ম্যাচে দুবারের বিশ্বকাপ জয়ীদের হারাল ক্রোয়াটরা। ২০২২ সালের জুনে নেশন্স লিগেই ১-০ গোলে জিতেছিল তারা।

আগামী রোববার প্যারিসে হবে ফিরতি লেগ।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত