০৮ মে, ২০১৬ ২১:২৮
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার রামদিঘা গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের ৪ জন মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষতিপুরণ চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছ। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারে জন্য ৪ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে জনস্বার্থে এই রিট আবেদন করেন সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী চঞ্চল কুমার বিশ্বাস।
রবিবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের দ্বৈত বেঞ্চে রীট আবেদনের পর প্রতিপক্ষ বিদ্যুৎ সচিব, পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ডের চেয়ারম্যান, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক, পল্লী বিদ্যুতের নেত্রকোনা জোনের জেনারেল ম্যানেজার ও মধ্যনগর থানার ওসির বিরুদ্ধে রুল জারি করা হয়।
মামলাটি পরিচালনা করেন এডভোকেট অমিত দাশগুপ্ত ও সুদীপ্ত অর্জুন। তাঁদেরকে সহায়তা করেন এডভোকেট মুনতাসীর মাহমুদ রহমান, সৈয়দ ফজলে এলাহী ও ব্যারিস্টার সৌমিত্র সরদার।
রুলে হাইকোর্ট বিবাদীগণকে নিরাপদ পল্লী বিদ্যুৎ লাইন সরবরাহে নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতাকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, কেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ৪ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান করার আদেশ হবে না এবং কেন বর্তমানে নিরাপদ লাইন এর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না মর্মে জানতে চান।
জানা যায়, গত ২৬ এপ্রিল রামদিঘা গ্রামে ঘরের বারান্দায় বসে চা-মুড়ি খাচ্ছিলেন রঞ্জিত সরকার (৪৫)। এ সময় পল্লীবিদ্যুৎ এর তার ছিড়ে তার গায়ে পড়লে রঞ্জিত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। তাকে বাঁচাতে তার স্ত্রী রীতা সরকার (৩৫) ও বাবা জগদীস সরকার (৭০) এগিয়ে আসলে তাঁরাও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন, তিনজনের ছটফটানি দেখে প্রতিবেশীর নাবালিকা কন্যা সোনালী দাস (১০) এগিয়ে এলে সেও বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে পরে। এতে ৪ জনেরই মৃত্যু হয়।
স্থানীয় অনেকেই অভিযোগ করেন, পল্লী বিদ্যুতের তার নিম্নমানের হওয়ায় উদ্বোধনের এক সাসের মধ্যেই এই দুর্ঘটনা ঘটে।
আপনার মন্তব্য