সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

০৯ মে, ২০১৬ ১২:৩২

অতি বৃষ্টি আর জনবল সংকটে সুনামগঞ্জের কৃষকদের হতাশার মৌসুম

মৌসুমের শুরু থেকেই অবিরাম ঝড়-বৃষ্টি, বজ্রপাত, শিলাবৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে সকল পরিকল্পনা ভেস্তে গেল সুনামগঞ্জের কৃষকদের। বোরো মৌসুমে অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাতে পাকা ধান ঘরে তুলতে ব্যর্থ হয়েছেন অনেকেই। যাওবা কিছু ফসল ঘরে তোলা যেত জনবল সংকটেও তাতেও পড়েছে বাঁধা।

যে ফসলের আশায় নিশ্চিত একটি বছর পার করার কথা সেই সোনালি ফসলী গেছে ভেসে। অসহায়ের মত চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া তাদের আর যেন কিছুই করার ছিল না। অতিবৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ৬৫ শতাংশ জমির পাকা ধানই তলিয়ে গেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ৩৫ ভাগ জমির ফসল কাটা হয়েছে। বাকি ৬৫ ভাগ জমির পাকা ধান নষ্ট হচ্ছে বন্যার পানিতে। এ বছর অতিবৃষ্টির কারণে ছোটবড় ১০টি হাওড়ের প্রায় ১১ হাজার হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে ধর্মপাশা, তাহিরপুর, জগন্নাথপুর, দিরাই ও শাল্লা উপজেলার কৃষকরা।

আর ধান কাটার জন্য চরম শ্রমিক সংকট দেখা দেয়ায় কৃষকেরা বেশি বিপাকে পড়েছেন বলে জানালেন সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. জাহেদুল হক।

বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হতে পারে জানিয়ে, ফসলি জমির পাকা ধান দ্রুত কাটার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দিলেন সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আফসার উদ্দিন।

চলতি বোরো মৌসুমে সুনামগঞ্জের ২ লাখ ২১ হাজার হেক্টর জমিতে ধান আবাদ করা হয়েছে বলেব জানিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত