০৯ জুন, ২০১৬ ১৬:১২
তিন ধাপে সমাপ্ত হওয়া বানিয়াচং উপজেলার ১৫ টি ইউনিয়নের মধ্যে আ’লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীদের ৫টিতে চরম পরাজয় বরণ করতে হয়েছে।
এই পরাজয়ের পিছনে দলীয় কোন্দলকেই দায়ী করছেন মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। সার্বিক ফলাফলের দিক দিয়ে আ’লীগ এগিয়ে থাকলেও স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব এড.আব্দুল মজিদ খানের নিজ ইউনিয়ন ৯ নং পুকড়া ইউনিয়নে আ’লীগের কোন বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকায় সাবেক বিএনপির নেতার কাছে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হতে হয়েছে আ’লীগের মনোনীত প্রার্থীকে।
সম্প্রতি শেষ হওয়া বানিয়াচং ৪নং দক্ষিণ-পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আ’লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীকে পরাজিত করতে দলের অনেক নেতাকর্মীরাই পরোক্ষভাবে কাজ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে উপজেলা সদরের ৪টি ইউনিয়নের মধ্যে ৩ টিতে হেরেছে আ’লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। ২টি ইউনিয়নে আ’লীগের দুই হেভীওয়েট প্রার্থী একজন ৬ বারের চেয়ারম্যান আর অন্যজন ৩ বারের চেয়ারম্যান বিপুল ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন বিএনপির সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থীদের কাছে। আর ১টি তে কম ভোটের ব্যবধানেই হেরেছেন জামায়াত/স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর নিকট। ১৪নং মুরাদপুর ইউনিয়নেও দলীয় নেতাকর্মীরা আ’লীগের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করায় হারতে হয়েছে।
সদ্য শেষ হওয়া নির্বাচন দলীয় প্রতীক হওয়ায় সদরের ৩টি ছাড়াও আরও ২টিতে নৌকার চরম ভরাডুবি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে তৃণমূল নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে। আর এ পরাজয় নিয়ে চলছে নানামুখী আলোচনা। এর কারণ হিসেবে স্থানীয় এমপি, সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক একে অপরের সাথে দূরত্বকেই দায়ী করছেন নেতাকর্মীরা।
আওয়ামীলীগের এক উপজেলা পর্যায়ের নেতার সাথে কথা বলে জানা গেছে উল্লিখিত ইউনিয়নে দলীয় কোন্দল আর জনবিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণেই আওয়ামীলীগের পরাজয় হয়েছে। এসব ইউনিয়নে সরকার সমর্থিত প্রার্থী পরাজয় বরণ করায় জনমনে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন।
আপনার মন্তব্য