অরণ্য রণি

০৯ জুন, ২০১৬ ১৬:৫৩

রমজানে উর্ধমূখী নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যমূল্য

রমজানের শুরুতেই সিলেটে বেড়ে চলছে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যমূল্য। রমজানের শুরুতেই সিলেটে বেড়ে চলছে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যমূল্য। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে পিয়াজ, রসুন, আদা, ছোলা, মসুরি ডাল, খেসারি ডাল, চিনির দাম বেড়েছে। তবে স্থিতিশীল রয়েছে তেলের দাম। রসুনের দাম শুধু কমেছে। বৃহস্পতিবার সিলেটের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।

নগরীর বন্দরবাজার এলাকার বিভিন্ন মুদি দোকান ঘুরে জানা যায়, পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২২-২৫ টাকায়, রমজানের আগে ছিলো ১৮-২০ টাকা। ছোলা বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৮৫-১১০ টাকায়, আগে ছিলো ৫০-৭০ টাকা। মসুরি ডাল বিক্রি হচ্ছে ১১০-১৩০ টাকা, আগে ছিলো ৮৫-১০৫ টাকা।  খেসারি ডাল বিক্রি হচ্ছে ৭০-৭৫ টাকা, আগে ছিলো ৬০-৬৫ টাকা। প্রতি লিটার সয়াবিন তেল বিভিন্ন কোম্পানীভেদে বিক্রি হচ্ছে ৮৬-৯২ টাকা।

রসুন এর মূল্য কিছুটা কমেছে। দেশী রসুন (বড়) রোজার আগে ২৩০ টাকায় বিক্রি করলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকায়। রসুন (ছোট) আগে ১৭০-১৮০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ১৩০-১৫০ টাকায়। চিনি বিক্রি কেজি প্রতি হচ্ছে ৬০-৬২ টাকায়, আগে ছিলো ৪৮-৫০ টাকা। আদা আগে ৪৫ টাকায় বিক্রি হলেও রমজান আসার পর বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকায়।

মেসার্স কালাম ব্রাদার্স এর স্বত্বাধিকারী ফয়সল আহমদ বলেন, সিন্ডিকেট এর কারনে প্রতি বছর রমজান আসলেই নিত্য-প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়ে যায়। কতিপয় অসাধু ব্যাবসায়ীরা অধিক লাভের আশায় এটি করে থাকেন।

সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন ধরনের সবজির দাম উর্ধমুখী। সবজি বিক্রেতা মোঃ সুমন মিয়া জানান, গতকাল দাম কিছুটা কম থাকলেও আজ তা বেড়ে গেছে। প্রতি কেজি টমেটো বিদেশী ও দেশী বিক্রি হচ্ছে ৬০ ও ১০০ টাকায়, আগে ছিলো ৫০ ও ৯০ টাকা।  গাজর বিক্রি হচ্ছে কেজি ৫০ টাকায়, আগে ছিলো ৪৫ টাকা। মুকি বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৬০ টাকা, আগে ছিলো ৫৫ টাকা। আলু বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি২০-২৫ টাকা। লেবু হালি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৫০ টাকায়।

বন্দর বাজারের ইত্যাদি পোল্ট্রি ফার্মে গিয়ে দেখা গেছে, ব্রয়লার মুরগী বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ১৬৫-১৭০ টাকায়। রমজানের আগে ছিলো ১৫৫-১৬০ টাকা।

মাসুম মিট শপের বিক্রেতা মো. সিরাজ মিয়া জানান, গরুর মাংস হাড্ডিসহ বিক্রি হচ্ছে সিসিক'র নির্ধারিত দামে কেজি প্রতি ৪০০ টাকায়। হাড্ডি ছাড়া মাংস বিক্রি করছেন কেজি প্রতি ৫০০ টাকায়। বৃহস্পতিবার সিলেটের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত