নিজস্ব প্রতিবেদক

১০ জুন, ২০১৬ ১৬:১৪

বাবা-মা নেই, চারদিন পর জানলো স্নেহা

নিহতের চারদিন পর অরুনিমা রায় স্নেহাকে জানালো হলো তার বাবা-মায়ের মৃত্যুর খবর। শুক্রবার দুপুরে ওসমানী হাসপাতালে তাকে এ খবর জানানো হয়। বাবা-মা নেই, একথা শুনেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে স্নেহা।

গত মঙ্গলবার সকালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন স্নেহার বাবা অরজিৎ রায় ও মা সুমিতা দাস। এই দুর্ঘটনায় স্নেহাও গুরুতর আহত হয়ে ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

শারিরীক অবস্থার কথা বিবেচনা করে এতোদিন স্নেহাকে তার বাবা-মায়ের মৃত্যুর খবর জানানো হয়নি। শুক্রবার ৪ দিন পূর্ণ হয় এ দুর্ঘটনার। আজ (শুক্রবার) অরজিৎ রায় ও সুমিতা দাসের শ্রাদ্ধানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। হিন্দু শাস্ত্রানুযায়ী সন্তানকেই পিতা-মাতার শ্রাদ্ধ করতে হয়। ফলে শুক্রবার বাধ্য হয়ে স্নেহাকে বাবা-মায়ের নিহতের খবর জানান তাঁর স্বজনরা।

স্নেহার মামা ধ্রুব গৌতম জানান, এতোদিন স্নেহা জানতো, তার বাবা-মা বেঁচে আছেন। আজ মৃত্যু খবর শোনার পর সে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। এরপর শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের জন্য তাকে শাহপরানের নিপোবন আবাসিক এলাকার নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। শারিরীক অবস্থার কারণে হাসপাতালের চিকিৎসকও তার সঙ্গে গেছেন। শ্রাদ্ধ শেষে স্নেহাকে আবার ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে আসা হবে।

মঙ্গলবার সকালে নগরীর আলুরতল এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন স্নেহার বাবা স্কলার্স হোম (শাহী ঈদগাহ) এর প্রশাসনিক কর্মকর্তা অরজিৎ রায় (৫০) ও মা দক্ষিন সুরমার মহালক্ষী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সুমিতা দাস (৪৫)। এ দুর্ঘটনায় অরুনিমা রায় স্নেহাও (১২) গুরুতর আহত হয়। স্নেহা স্কলার্সহোমের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত