তাহিরপুর প্রতিনিধি

১৩ জুন, ২০১৬ ১৫:৪৩

একশ' ভোটও পেলেন না ৭ চেয়ারম্যান প্রার্থী, তাহিরপুরে সমালোচনা

তাহিরপুর উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের ৬ষ্ঠ ধাপে ৪ জুনের নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবার আশায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৪৯জন।

তাদের মধ্যে ৪টি ইউনিয়নে ৭জন চেয়ারম্যান প্রার্থী একশত ভোটের গণ্ডি পেরুতে পারেন নি। আবার ৭টি ইউনিয়নের দু-দল,দলীয় বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৪৯জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর অনেকই রয়েছেন যারা পাঁচ শত ভোট পানি। এক চেয়ারম্যান প্রার্থী পেয়েছেন ২৫ভোট।

তাদের এই প্রাপ্য ভোটের কারণে নিজ নিজ এলাকার লোকজনের মাঝে হাসির পাত্র হয়েছেন। কেউ প্রকাশ্যে কিছু না বললেও তাদের আড়ালে হচ্ছে আলোচনা-সমালোচনার ও হাস্যরসের সৃষ্টি। অনেকেই আবার তাদের সামনেই বলে ফেলছেন তাদের সর্বনিম্ন ভোটের কথা। এতে একটু লজ্জিত হচ্ছেন চেয়ারম্যান প্রার্থীরা।

উপজেলার ২৯জন চেয়ারম্যান জামানত হারিয়েছেন। এখন আলোচনা,সমালোচনা চলছে শত ভোট না পাওয়া চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে। তারা হলেন, তাহিরপুর সদরে স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ শফিকুজ্জামান মটর সাইকেল প্রতীকে তার প্রাপ্ত ভোট (৯৪টি), মোহর আলী ঘোড়া প্রতীকে তার প্রাপ্ত ভোট (৫৫টি), দক্ষিণ শ্রীপুরে খায়রুজ্জামান টেবিল ফ্যান প্রতীকে তার প্রাপ্ত ভোট(৩৪টি), কয়েছ মিয়া মটর সাইকেল তার প্রাপ্ত ভোট(৬৮টি), বাদাঘাট ইউনিয়নে সোহাগ মিয়া মটর সাইকেল প্রতীকে তার প্রাপ্ত ভোট (৬৬টি), বালিজুরী ইউনিয়নে ফারুক আহমদ তালুকদার টেবিল ফ্যান প্রতীকে তার প্রাপ্ত ভোট (৩০টি)।

এবার প্রথম জাতীয় পার্টির দলীয় লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাদাঘাট ইউনিয়নে দলীয় মনোনীত প্রার্থী মোঃ হুমায়ুন কবীর পাঠান। তার প্রাপ্ত ভোট (২৫টি) পেয়েছেন।

উপজেলার সচেতন এলাকাবাসী বলেন, এবার ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের এত কম ভোট পাওয়ায় চেয়ারম্যান পদের সম্মান নিয়ে খেলা করেছেন প্রার্থীরা। প্রার্থীরা তাদের জনপ্রিয়তা,যোগ্যতা ও শিক্ষার বিষয়ে নিজেদের নিয়ে চিন্তা না করে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এবার নির্বাচনে যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তারা অনেকেই যোগ্যতা সম্পন্ন ছিল না। আগামী নির্বাচনে নূন্যতম এসএসসি পাশ শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে এমন নিয়ম করা হলে এত কম ভোট কেউ পাবে না আর যোগ্যতাহীন কেউ চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীও হতে পারবে না।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত