বিশ্বনাথ প্রতিনিধি

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০২:০২

বিশ্বনাথে ‘প্রেমিকা’র অনশন, সিলেটে ‘প্রেমিক’ ইউপি সদস্য আটক

সিলেট নগরীর ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকা থেকে বিশ্বনাথের এক ইউপি সদস্য ইরন মিয়া (৩২) কে আটক করেছে পুলিশ। ইরনের প্রেমিকা দাবিকারী নিলুফা বেগম (২২) নামে এক নারীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে বুধবার রাত দেড়টার দিকে নগরী থেকে হিরনকে আটক করে পুলিশ।

এরআগে গত মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিশ্বনাথে ইরনের গ্রামের বাড়িতে অনশন করেন নিলুফা। স্ত্রীর মর্যাদা আদায়ের দাবিতে অনশন করেন বলে জানান তিনি। পরে ওইদিন দুপুরে বিশ্বনাথ থানার এএসআই বিনয় কুমার চক্রবর্তী ওই বাড়িতে পৌঁছে নিলুফাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন।

ইরন মিয়া উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সদস্য ও পূর্ব পাড়া নোয়াগাঁও গ্রামের মৃত আস্তফা মিয়ার ছেলে। নিলুফা বেগম তাঁর আপন চাচাতো বোন ও একই বাড়ির বাসিন্দা ইদ্রিছ আলীর মেয়ে।

পুলিশ নিলুফা বেগমকে থানায় নিয়ে আসার পর ইরন মিয়া বাড়ি থেকে পালিয়ে গেলে বুধবার রাতে নগরী থেকে তাকে আটক করে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ। বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সামসুদ্দোহা পিপিএম বলেন, গোয়েন্দা পুলিশের সহযোগীতায় হিরনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজের সামনে থেকে আটক করা হয়েছে। বিয়ের আশ্বাসে প্রেমিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে তাকে আটক করা হয় বলে জানান ওসি।
 
মঙ্গলবার নিলুফা বেগম সিলেটটুডে টোয়েন্টিফোর ডটকম;র কাছে দাবি করেছিলেন, ২০০৯ সাল থেকে দীর্ঘ ৮বছর ধরে ইরণের সাথে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক। পাশাপাশি ঘরের বাসিন্দা হওয়ায় প্রায়ই গোপানে মেলামেশা করতেন তারা। ২০১৭ সালের ১৩ আগষ্ট হঠাৎ অন্ত:সত্ত্বা হয়ে পড়লে বিয়ের দাবি নিয়ে কথা বলেন প্রেমিক ইরন মিয়ার সঙ্গে। কিন্তু ইরন মিয়া বারবার বিয়ের আশ্বাস দিলেও নানা অজুহাতে সময় পার করতে থাকেন।

তবে প্রেমের বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করে প্রেমিক ইরন মিয়া বলেন, চাচার সঙ্গে বাড়ির জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ থাকায় এক শ্রেণীর কুচক্রী মহলের নির্দেশে নিলুফা তাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করতে চাইছে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত