০৯ অক্টোবর, ২০১৭ ২২:৪৯
সিলেট নগরীর ফুটপাত অবৈধ দখলদার মুক্ত করতে সর্বস্থরের নগরবাসীর প্রতি সর্বাত্মক সহযোগীতার আহবান জানিয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।
সোমবার (৯ অক্টোবর) এক সংবাদ বিঞ্জপ্তির মাধ্যমে মেয়র বলেন, নগরীর সর্বস্তরের জনগনের ভোটে নির্বাচিত একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমার দায়িত্ব হচ্ছে ড্রেনেজ সমস্যার সমাধান, যানজট নিরসন, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, জনগনের নিরাপত্তা প্রদানসহ সার্বিক সমস্যা সমাধান করা। সে লক্ষেই আমি আপনাদের সাথে নিয়ে এসব সমস্যার সমাধান করতে দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। এরই ধারাবাহিকতায় নগরীর ফুটপাত অবৈধ দখলদার মুক্ত করে জনগনের চলাচল নিশ্চিত করতে কাজ শুরু করি। এসব অবৈধ দখলদার মুক্ত করতে গিয়ে নানা প্রতিকুলতায় পড়তে হয়েছে আমাকে। তারপরও ফুটপাত অবৈধ দখলদার মুক্ত করতে সাংবাদিক, পুলিশ ও নগরবাসীকে সাথে নিয়ে প্রতিদিন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করি।
মেয়র বলেন, অভিযান পরিচালনা করার পরও নগরীর বন্দরবাজার, জিন্দাবাজার, আম্বরখানাসহ বিভিন্ন এলাকায় আবারো ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে ব্যবসা-বানিজ্য পরিচালনা করছেন। যার কারনে ফুটপাত দিয়ে চলাচল করতে নগরবাসীদের পড়তে হচ্ছে নানা বিড়ম্বনায়। বিঘ্নিত হচ্ছে জনগনের সার্বিক নিরাপত্তা। তাই নগরীর সর্বস্থরের ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সুশীল সমাজসহ সর্বস্তরের জনগনকে ফুটপাত অবৈধ দখলদার মুক্ত করতে তাকে সহযোগিতা করার আহবান জানান মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।
উল্লেখ্য, নগরীর ফুটপাতের দখলদারের তালিকা তৈরি করে আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন সিলেট মহানগর মূখ্য হাকিম সাইফুজ্জামান হিরো। নির্ধারিত সময়ে এই তালিকা তৈরি করতে না পারায় গত ৮ জুন সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সময় চেয়ে আবেদন করলে তাকে এক মাসের সময় দেওয়া হয়। কিন্তু, তিনি পরবর্তী ৩ মাসের মধ্যেও তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করেননি।
ফলে কেন তিনি এই ধরনের একটি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জনপ্রতিনিধি হয়েও আদালতের আদেশ মেনে প্রতিবেদন দাখিল করছেন না তার ব্যাখ্যা দিতে আগামী ১৬ অক্টোবর তাকে আদালতে তলব করা হয়েছে। একইসঙ্গে এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকায় কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকেও একইদিনে আদালতে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
আপনার মন্তব্য