১৮ নভেম্বর, ২০১৭ ২৩:৪৩
সৎ মেয়েকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে বিয়ানীবাজারে পিতা আব্দুল কাদির (৫০) নের এক ব্যাক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৮ নভেম্বর) বিয়ানীবাজারের পৌরসভার একটি কলোনি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ।
এ ঘটনায় মেয়ে মা হেলেনা বেগম বাদী হয়ে বিয়ানীবাজার থানায় শিশু ও নারী নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। এদিকে ঘটনার জানাজানি হলে কলোনির বাসিন্দারা পিতা আব্দুল কাদিরকে গণধোলাই দেয়।
জানা যায়, আব্দুল কাদির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানার মৃত সামসুল মিয়ার পুত্র। তিনি দ্বিতীয় স্ত্রী ও স্ত্রীর আগের স্বামীর ঘরে এক কন্যাকে নিয়ে বিয়ানীবাজার পৌরসভার দাসগ্রামের রাজ্জাক মঞ্জিলে ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছেন। কাদির পৌরশহরে রিক্সা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
থানার দায়ের করা এজাহার সূত্রে জানা যায়, কাদিরের স্ত্রী হেলেনা বেগমের পূর্বে অন্য জায়গায় বিয়ে হয়। সে স্বামীর ঘরে তার দুই কন্যা সন্তান রয়েছে। এক কন্যার বিয়ে দিলেও অপর কন্যা তার সাথেই ছিল। এ অবস্থায় কাদিরের সাথে তার দ্বিতীয় বিয়ে হয়। এ বিয়ের পর ওই কন্যাকে সাথে রাখেন হেলেনা।
হেলেনা বেগম বিয়ানীবাজারের এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। মেয়ে ও স্বামীকে বাসায় রেখে প্রতিদিনের মতো শনিবার সকালে কাজের জায়গায় চলে যান। বাসায় ফাঁকা থাকার সুযোগ নিয়ে কাদির সৎ কন্যাকে শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা করে। এ সময় মেয়েটি (১৬) চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে কাদিরকে হাতে নাতে আটক করে গণধোলাই দেন।
খবর পেয়ে ছুটে যান হেলেনা বেগম। মেয়ের মুখে সব কথা শুনে তিনি থানা পুলিশের দারস্থ হন। পুলিশ দাসগ্রাম থেকে লম্পট পিতা কাদিরকে গ্রেপ্তার করে। শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয় বলে থানা সূত্রে জানা যায়।
এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিয়ানীবাজার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফরিদ উদ্দিন বলেন, শ্লীলতাহানি অভিযোগ আব্দুল কাদিরকে গ্রেপ্তার করে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
আপনার মন্তব্য