কমলগঞ্জ প্রতিনিধি

২৭ অক্টোবর, ২০১৮ ১১:৩৭

কমলগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক চম্পক দামকে সম্মাননা

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ধলই চা বাগানে ইরানী তাঁতির মস্তকবিহিন লাশ উদ্ধার ও দ্রুত সময়ে সনাক্তকরণ এবং দক্ষতার সাথে আসামীকে গ্রেপ্তার ও হত্যা রহস্য উদঘাটন করায় উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কমলগঞ্জ থানার উপ পরিদর্শক চম্পক দামকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহজালাল চম্পক দামের হাতে একটি সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ারুল হকসহ পুলিশ সুপার কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কমলগঞ্জ থানা সূত্রে জানা যায়, গত ২১ সেপ্টেম্বর রাতে বৈষ্ণবী ইরানী তাঁতির (২৫) সাথে তার প্রেমিক ধলই চা বাগানের বাবলু দাসের (২৫) ঝগড়া হয়েছিল। এ ঝগড়ার জের ধরে এক পর্যায়ে বাবলু দাস প্রেমিকা ইরানী তাঁতির গলা চেপে ধরলে ঘটনাস্থলে সে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যায়। পরে বাবলু দাস প্রেমিকা ইরানী তাঁতির গলা কেটে মস্তক নিয়ে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের নো-ম্যান্স ল্যান্ডের একখণ্ড ধানি জমিতে পুতে রাখে। পরদিন শনিবার পুলিশ ধলই চা বাগানের প্লান্টেশন এলাকা থেকে মস্তকবিহিন অবস্থায় ইরানী তাঁতির লাশ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় কমলগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা হলে এর তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল উপ পরিদর্শক চম্পক দামকে। উপ পরিদর্শক চম্পক দাম খুবই দক্ষতার সাথে তদন্তক্রমে ৩ দিনির মধ্যেই সিলেট শহরে মেহেদী বাগ থেকে হত্যাকারী প্রেমিক বাবলু দাসকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী গ্রহণ করে এ হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদ্ধার করেন। তদন্ত কর্মকর্তা চম্পক দামের এ দক্ষতার জন্য গত বৃহস্পতিবার তাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

এসময় এক প্রতিক্রিয়ায় কমলগঞ্জ থানার উপ পরিদর্শক চম্পক দাম বলেন, ধলই চা বাগানের শ্রমিকদের সহায়তা তিনি খুব দ্রুততার সাথে এ মামলার রহস্য উদঘাটন করতে পেরেছি।

তিনি আরও বলেন,  নিষ্ঠার সাথে কাজ করলে অবশ্যই দক্ষতা অর্জন করা যায়। আর অবশ্যই ভাল কাজের সম্মানও পাওয়া যায়।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত