৩১ অক্টোবর, ২০১৮ ১৯:০০
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করতে বিচারের নামে প্রহসন চলছে বলে অভিযোগ করেছে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি।
বুধবার কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় একের পর এক ফরমায়েসি সাজার প্রতিবাদে এবং নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তারা এ অভিযোগ করেন।
নেতৃবৃন্দ বলেছেন, অবৈধ ফ্যাসিস্ট সরকার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজনীতির ময়দান থেকে মাইনাস করতেই তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি বিচারের নামে প্রহসন চলছে। এমন আজব বিচার ও ফরমায়েসি রায় জাতি কখনো কল্পনাও করেনি।
তারা বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে ষড়যন্ত্রমূলক মামলার রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলেও ৫ বছরের সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করেছে। এমন রায় দেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সূচনা করেছে বলে তারা মন্তব্য করেন।
খালেদা জিয়াকে মাইনাস করে দেশের মাটিতে যে কোন নির্বাচন প্রতিহত করা হবে বলে বক্তারা উল্লেখ করেন।
বক্তারা অবিলম্বে খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দেয়া সকল সাজা বাতিল এবং চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়ার দাবি জানান।
এছাড়াও তারা গ্রেপ্তার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল, মহানগর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন বাচ্চু, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কাশেম, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আল মামুন খান, বিএনপি নেতা আকবর আলী ও মঈন উদ্দিন সহ সকল বন্দিদের মুক্তির দাবি জানান।
বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরী শামীমের সভাপতিত্বে, মহানগর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আজমল বখত চৌধুরী সাদেকের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-ক্ষুদ্র ঋণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক। নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি সালেহ আহমদ খসরু, সহ-সভাপতি কাউন্সিলার ফরহাদ চৌধুরী শামীম, সহ-সভাপতি জিয়াউল গণি আরেফীন জিল্লুর, জেলা সহ-সভাপতি একেএম তারেক কালাম, মহানগর সহ-সভাপতি অধ্যাপিকা সামিয়া বেগম চৌধুরী, জেলা সহ-সভাপতি শাহজামাল নুরুল হুদা, জেলা উপদেষ্টা শহীদ আহমদ চেয়ারম্যান, আজির উদ্দিন চেয়ারম্যান, মাজহারুল ইসলাম ডালিম, জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আহাদ খান জামাল ও শামীম আহমদ, মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক মুকুল আহমদ মোর্শেদ, স্বেচ্ছাসেবক সম্পাদক হাবিবুর রহমান চৌধুরী শিলু, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা: আশরাফ আলী, জেলা স্বাস্থ্য সম্পাদক আ.ফ.ম কামাল, যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা ইকবাল বাহার চৌধুরী, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাদিকুর রহমান সাদিক, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী সালেহা কবির শেপী, মহানগর মহিলা দলের সভানেত্রী জাহানারা ইয়াসমিন, যুবদল নেতা নেওয়াজ বখত তারেক, সাহিবুর রহমান সুজান, মহানগর বিএনপির সহ-কোষাধ্যক্ষ শেখ মো: ইলিয়াস আলী, বিএনপি নেতা আব্দুল জব্বার তুতু, আব্দুল মালেক, লোকমান আহমদ, আলী হায়দার মজনু, এডভোকেট ইসরাফিল আলী, এডভোকেট আমিন উদ্দিন, আরিফ ইকবাল নেহাল, জাকির হোসেন, শেখ কবির আহমদ, আমিনুর রহমান খোকন, কয়েস আহমদ সাগর, আব্দুল ওয়াহিদ সোহেল, মফিজুর রহমান জুবেদ, আজাদুর রহমান আজাদ, গিয়াস আহমদ মেম্বার, শফিকুল হক মেম্বার, মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা নিগার সুলতানা ডেইজি, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা রুমি বেগম, বিএনপি নেতা ইমরান আহমদ, লিমন আহমদ, দিলোয়ার হোসেন জয়, মুফতি রায়হান উদ্দিন মুন্না, দিলোয়ার হোসেন চৌধুরী, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আলতাফ হোসেন সুমন, সাবেক ছাত্রদল নেতা মিজানুর রহমান নেছার, মুজাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, জামিল আহমদ, এনামুল হক শামীম, কয়েস আহমদ, আলী আহমদ আলম, জামাল আহমদ খান, মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বী আহসান, ছাত্রদল নেতা আলী আকবর রাজন, ফয়জুর রহমান, ইসহাক আহমদ, রাজন আচার্য ও রাবেল আহমদ প্রমুখ।
আপনার মন্তব্য