সুজিত দাস

২৭ জুলাই, ২০১৫ ২০:২৪

ঈদের শেষেও কাঁচাবাজারে রোজার আগুন!

ঈদ শেষ হয়েছে। কাটতে শুরু করেছে ঈদের রেশও। তবে কাঁচাবাজারে এখনো রয়ে গেছে রমজানের আমেজ। এখেনা উর্ধমুখী পণ্যের দাম। ঈদের পর সবজির দাম আরো বেড়ে গেছে।

বিক্রেতারা বলছেন, ঈদের ছুটিতে সরবরাহ কমে যাওয়ায় বেড়েছে দাম। কিছুিনের মধেই তা স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

প্রতিবছরই রোজা ও ঈদ এলে সবকিছুর দামই একটু বেড়ে যায়! ফলে এই সময়টাতে পণ্যের উচ্চ মূল্যের জন্য একধরণের প্রস্ততই থাকেন ক্রেতারা। তবে এবারের চিত্র উল্টো। এবার ঈদের পরে রোজা ও ঈদের সময়ের চেয়ে বেশি দামেও বিক্রি হচ্ছে শাক-সবজি।

নগরীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারগুলো ঘুরে বিভিন্ন জায়গায় দামের কিছুটা পার্থক্যও লক্ষ্য করা যায়। তবে ব্যবসায়ীরা একে সাময়িক অসুবিধা বলছেন। আমদানি কমে যাওয়াকেও দায়ি করছেন তারা।

সিলেটের টুকেরবাজার, কামালবাজার, সুবহানীঘাট, কাজিরবাজার, আম্বরখানা ও বন্দরবাজারে গিয়ে দামের অনেকটা পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়।

মান ও প্রকারবেদে বিভিন্ন শাকসবজি বিভিন্ন দামে বিক্রি করা হচ্ছে। বাজার পর্যবেক্ষণ করতে গিয়ে দেখা যায়, টমেটো ৭০-৮০ টাকা, কাঁচামরিচ ৮০ টাকা, গাজর ৬০ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা, পুঁইশাক ২৫-৩০ টাকা, মূলা ৬০ টাকা, মুখী ৫০ টাকা, বাঁধাকপি ৬০ টাকা, চালকুমড়া প্রকারবেদে ২০-৫০ টাকা, কাঁচকলা ও লেবু প্রতি হালি ২০-৩০ টাকা, পেঁপে ৩০টাকা এবং কাকরুল, পটোল, করলা ও ঢেঁড়স ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের সাথে দামের তারতম্য নিয়ে কথা বললে তারা ভিন্নমত পোষন করেন। সবজি ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান বলেন, ঈদের সিজন মাত্র শেষ হয়ছে, আর সরবরাহ কমে যাওয়ায় সবকিছুর দামই বেড়ে গেছে।

সবজি ব্যবসায়ী বিধু দাস বলেন, বাজারে সরবরাহ একেবারেই হচ্ছে না। আর রথযাত্রা থাকায় ভারত থেকেও পণ্য আসছে না। যার কারনে আমাদের যেমন বেশি দামে কিনতে হচ্ছে তেমন বেশি দামে বিক্রিও করতে হচ্ছে। ফলে ক্রেতাদেরও একটু বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে।

অন্যদিকে ক্রেতা মুনসুর আলী বলেন, রোজা ও ঈদের সময় শশার চাহিদা থাকে সবচেয়ে বেশি, কিন্তু সেই সময়ও ২৫-৩০ টাকা কেজি ছিল। কিন্তু এখন ৪০ টাকা কেজি দরে কিনতে হচ্ছে।

ক্রেতা সুমন চন্দ বলেন, সবজি ব্যবসায়ীদের নিকট আমরা সব সময়ই জিম্মি থাকি! তারা যে দাম বলে আমাদের সেই দামেই ক্রয় করতে হয়। যা কোন নতুন ঘটনা নয়।

ক্রেতা বিজন তালুকদার বলেন, প্রতিদিনই কিছু না কিছু সবজি কিনতে হয়, কিন্তু কয়েকদিন যাবত সব শাকসবজির দামই অনেক বেশি। যার কারনে বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে। তবে ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীদের কাছে দাম তুলনা মূলক একটু কম মনে হচ্ছে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত