১০ জুলাই, ২০২৬ ২০:৫২
জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠাতা সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী রচিত তিনটি বই পোড়ানোর ঘটনায় ‘ধর্ম অবমাননার’ অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস থেকে গ্রেপ্তার হওয়া এক যুবককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই শাহ আলম।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে বৃহস্পতিবার রাতে কোরআনের তাফসির পোড়ানোর অভিযোগে মেহেদী হাসান নামে ওই যুবককে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করে একদল লোক। পরে তাকে শাহবাগ থানায় নেওয়া হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ৩১ বছর বয়সী মেহেদীর বাড়ি টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলায়।
শাহবাগ থানার নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির এসআই কামাল উদ্দিন মিয়া শুক্রবার মেহেদীর বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এবং ধর্ম অবমাননার অভিযোগ এনে মামলা করেন। সেই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেছিলেন শাহবাগ থানার এসআই নাজমুল হাসান।
প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই শাহ আলম বলেন, “শুনানির সময় মেহেদী হাসানের পক্ষে জামিনের আবেদন ছিল না। তাকে এজলাসে তোলা হয়নি।”
মামলায় অভিযোগ করা হয়, মেহেদী রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠাতা সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী রচিত ‘আফহিমুল কুরআনের’ তিনটি বই পুড়িয়ে দেয়; যা মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের প্রধান কর্মকর্তা ইউসুফ হারুন বলেন, “গতকাল রাতে একটি ছেলে, বেশভূষায় পাগল মনে হয়েছে, কোরআন শরিফের কয়েকটি পাতা হাতে নিয়ে ঘুরছিল। সেটা কয়েকজন দেখার পর তাকে মারতে উদ্যত হয়। পরে প্রক্টরিয়াল টিমসহ পুলিশ মিলে তাকে উদ্ধার করে থানায় হস্তান্তর করি।”
আপনার মন্তব্য