২২ এপ্রিল, ২০১৬ ১৪:১৯
দ্বিতীয় দিনের মত চলা নৌ শ্রমিকদের ধর্মঘটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নদী পথে যাতায়াতকারী মানুষজন।
নৌ মালিকদের উদ্যোগে ঢাকার সদরঘাট থেকে সীমিত পরিসরে লঞ্চ ছাড়লেও নৌযান শ্রমিকদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট আজ শুক্রবার(২২ এপ্রিল) বন্ধ রয়েছে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে মাদার ভ্যাসেল থেকে পণ্য খালাস, পণ্য পরিবহন ও এবং গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ। টানা ধর্মঘটের কারণে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে কর্ণফুলী নদীর ১৬ ঘাট।
বিআইডাব্লিউটিএর পরিবহন পরিদর্শক হুমায়ন আহমেদ জানান, সকালে গ্রিনলাইন সময় মতো ছেড়েও গেলে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে শুধু এমভি ফারহান-১ নামের একটি লঞ্চ ছেড়ে গেছে।
স্বাভাবিক সময়ে বরিশাল থেকে যাত্রী নিয়ে সকালে যেসব লঞ্চ সদরঘাটে আসে সেগুলো পরবর্তী যাত্রা করে বিকালের পর থেকে। তবে সকালে সদরঘাট থেকে চাঁদপুর ও তার আশপাশের লঞ্চগুলো ছেড়ে যায়।
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সকালের পালায় চাঁদপুরের কোনো লঞ্চই যাত্রী নিতে সদরঘাটে না ভেড়ায় বরিশাল রুটের এমভি ফারহান-১ দিয়ে কাজ চালিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে এই একটি মাত্র লঞ্চে যাত্রীদের স্থান সংকুলান না হওয়ায় অনেককেই অপেক্ষায় থাকতে হয়।
বেতন-ভাতা বৃদ্ধি ও নৌপথে চুরি-ডাকাতি বন্ধসহ ১৫ দফা দাবিতে বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন ও বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের ডাকে বুধবার রাত ১২টা থেকে শুরু হয়েছে এই ধর্মঘট।
আপনার মন্তব্য