১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৪:৫৮
ধর্ম যার যার, উৎসব সবার বলে মন্তব্য করে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, এটাই বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনুপম ঐতিহ্য।
মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান তিনি। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন রাষ্ট্রপতি। স্ত্রী রাশিদা খানমসহ পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে ছিলেন।
তিনি বলেন, সকল ধর্মের মূলবাণী হচ্ছে মানবকল্যাণ। জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ কোনো ধর্মই সমর্থন করে না। ইসলাম শান্তির ধর্ম। তাই ধর্মের অপব্যাখ্যা করে কেউ যেন সমাজে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করতে না পারে, সে ব্যাপারে সকলকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘কোরবানির শিক্ষা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যকে ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে প্রতিফলিত করে জাতীয় উন্নয়ন ত্বরান্বিত করি- এটাই হোক এবারের ঈদের অঙ্গীকার’।
‘কোরবানি আমাদের আত্মত্যাগের শিক্ষা দেয়। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার মাধ্যমে গড়ে ওঠে পরস্পরের প্রতি সহমর্মিতা। ভালোবাসা ও ত্যাগের এই আদর্শ আমাদের ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে প্রতিফলিত হলেই পারস্পরিক হিংসা-বিদ্বেষ কমে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে’।
এ লক্ষ্যে হযরত ইব্রাহিমের (আ.) ত্যাগ থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, তিন বাহিনীর প্রধান, সংসদ সদস্য, রাজনীতিক, উচ্চ আদালতের বিচারপতি, শিক্ষাবিদ, কবি-সাহিত্যিক-শিল্পী, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতাসহ উচ্চপদস্থ সরকারি-বেসরকারি ও সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
এ
আপনার মন্তব্য