সিলেটটুডে ডেস্ক

৩১ অক্টোবর, ২০১৬ ০২:৫৭

দীপন হত্যা : মামলার চার্জশিট হয়নি, গ্রেপ্তারও হয়নি খুনি-পরিকল্পনাকারী

জাগৃতি প্রকাশনীর কর্ণধার ফয়সাল আরেফিন দীপন হত্যার এক বছর আজ (৩১ অক্টোবর)। ২০১৫ সালের এ দিনে তাঁকে তাঁর শাহবাগস্থ কার্যালয়ে কুপিয়ে হত্যা করে ধর্মীয় সন্ত্রাসীরা। একই দিন দুপুরের দিকে লালমাটিয়ায় শুদ্ধস্বর প্রকাশনীর কার্যালয়ে ঢুকে এর স্বত্বাধিকারী আহমেদুর রশীদ টুটুল, রণদীপম বসু ও তারেক রহিমকে কোপায় সন্ত্রাসীরা। পৃথক দুই আক্রমণের ঘটনায় দীপন নিহত হন, এবং অপর তিনজন মারাত্মকভাবে আহত হন।

দীপন হত্যা ঘটনায় তাঁর স্ত্রী ডা. রাজিয়া রহমান বাদী হয়ে হত্যাকাণ্ডের দুই দিন পর (২ নভেম্বর) ঢাকার শাহবাগ থানায় মামলা করলেও হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীসহ সরাসরি জড়িত ব্যক্তিদের কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এবং এ মামলার চার্জশিটও দিতে পারেনি পুলিশ। এদিকে, প্রকাশক টুটুল সহ তিনজনকে হত্যাচেষ্টার মামলা হয় রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায়। ফৌজদারি আইনে মামলা দুটো হলেও চার্জশিট হবে সন্ত্রাস দমন আইনে।

পুলিশ বলছে, দীপনকে হত্যার মূল পরিকল্পনা ও নেতৃত্বে ছিলো আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের এক জঙ্গি। তার ছবি ও নাম পেলেও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা এখনো পুলিশ উদঘাটন করতে পারেনি। তাকেসহ বিভিন্ন ব্লগার ও প্রকাশক হত্যায় জড়িত ছয়জনের ছবি এর আগে পুলিশ গণমাধ্যমে প্রকাশ করে এবং তাদের ধরিয়ে দিতে পুরস্কারও ঘোষণা করে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) মামলা দুটির তদন্ত করছে। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, উভয় ঘটনাতেই নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিম (বর্তমান নাম আনসার আল ইসলাম) জড়িত। সংগঠনটির অন্যতম নেতা সেলিমই দীপন হত্যা ও আহমেদুর রশীদকে হত্যাচেষ্টার মূল পরিকল্পনাকারী। জঙ্গি দলটিতে সেলিমের অনেকগুলো ছদ্মনাম রয়েছে। তিনি ইকবাল, মামুন ও হাদি-২ নামেও পরিচিত।

ডিবি কর্মকর্তারা বলছেন, এই দুটি ঘটনায় সেলিমসহ অন্তত ২০ জনের জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে ছয়জনের ছবি পেয়েছে পুলিশ। চলতি বছরের ১৮ মে এই ছয়জনের ছবি প্রকাশ করে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য পাঁচ লাখ টাকা করে পুরস্কার ঘোষণা করে পুলিশ। এই ছয়জনের মধ্যে পরে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন আবদুস সবুর ওরফে সামাদ ওরফে সুজন ওরফে সাদ, মইনুল হাসান ওরফে শামীম ওরফে সামীর ও সুমন পাটোয়ারি। আর শরিফুল ওরফে মুকুল রানা নামে আরেকজন গত ১৮ জুন রাতে ঢাকার খিলগাঁওয়ে ডিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন।

তদন্তকারী কর্মকর্তারা বলছেন, এই শরিফুল প্রকাশক আহমেদুর রশীদ হত্যাচেষ্টায় সরাসরি জড়িত ছিলেন। এই শরিফুল এবং গ্রেপ্তার থাকা সবুর ও মইনুল প্রকাশক দীপন হত্যায় অংশ নেওয়া পাঁচ জঙ্গিকে প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন। সবুর ও মইনুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ কথা স্বীকার করেছে। তারা এখন কারাগারে।

মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা ডিবির উপ-কমিশনার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ বলেন, দীপন হত্যা মামলা ও আহমেদুর রশীদকে হত্যাচেষ্টা মামলা হামলায় এখন পর্যন্ত ছয় জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে দুই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী জঙ্গিনেতা সেলিমের নাম পাওয়া গেলেও তার পূর্ণাঙ্গ পরিচয় জানা যায়নি। তাকে গ্রেপ্তার করা গেলে উভয় ঘটনায় জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তার করা যাবে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৩১ অক্টোবর নৃশংস জোড়া হামলা চালিয়ে রাজধানীতে জাগৃতি প্রকাশনীর মালিক ফয়সাল আরেফিন দীপনকে কুপিয়ে হত্যা করে ধর্মীয় সন্ত্রাসীরা। একই দিন দুপুরে শুদ্ধস্বরের প্রকাশক আহমেদুর রশীদ টুটুল, রণদীপম বসু ও তারেক রহিমকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে দুর্বৃত্তরা। হামলায় আহতরা সেজন্যে জঙ্গি মৌলবাদীদের দায়ি করেছেন এবং আনসার আল ইসলাম নামের এক জঙ্গি সংগঠন এর দায় স্বীকার করে।

দুটি ক্ষেত্রেই হামলার পর কার্যালয়ের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দিয়ে যায় জঙ্গি মৌলবাদীরা।

জাগৃতি প্রকাশনী থেকে লেখক অভিজিৎ রায়ের কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে, যিনি নিজেও গত ফেব্রুয়ারিতে (২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫) একইভাবে খুন হন।জাগৃতি প্রকাশনীর কর্ণধার ফয়সাল আরেফিন দীপন হত্যার এক বছর আজ (৩১ অক্টোবর)। ২০১৫ সালের এ দিনে তাঁকে তাঁর শাহবাগস্থ কার্যালয়ে কুপিয়ে হত্যা করে ধর্মীয় সন্ত্রাসীরা। একই দিন দুপুরের দিকে লালমাটিয়ায় শুদ্ধস্বর প্রকাশনীর কার্যালয়ে ঢুকে এর স্বত্বাধিকারী আহমেদুর রশীদ টুটুল, রণদীপম বসু ও তারেক রহিমকে কোপায় সন্ত্রাসীরা। পৃথক দুই আক্রমণের ঘটনায় দীপন নিহত হন, এবং অপর তিনজন মারাত্মকভাবে আহত হন।

দীপন হত্যা ঘটনায় তাঁর স্ত্রী ডা. রাজিয়া রহমান বাদী হয়ে হত্যাকাণ্ডের দুই দিন পর (২ নভেম্বর) ঢাকার শাহবাগ থানায় মামলা করলেও হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীসহ সরাসরি জড়িত ব্যক্তিদের কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

পুলিশ বলছে, দীপনকে হত্যার মূল পরিকল্পনা ও নেতৃত্বে ছিলো আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের এক জঙ্গি। তার ছবি ও নাম পেলেও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা এখনো পুলিশ উদঘাটন করতে পারেনি। তাকেসহ বিভিন্ন ব্লগার ও প্রকাশক হত্যায় জড়িত ছয়জনের ছবি এর আগে পুলিশ গণমাধ্যমে প্রকাশ করে এবং তাদের ধরিয়ে দিতে পুরস্কারও ঘোষণা করে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) মামলা দুটির তদন্ত করছে। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, উভয় ঘটনাতেই নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিম (বর্তমান নাম আনসার আল ইসলাম) জড়িত। সংগঠনটির অন্যতম নেতা সেলিমই দীপন হত্যা ও আহমেদুর রশীদকে হত্যাচেষ্টার মূল পরিকল্পনাকারী। জঙ্গি দলটিতে সেলিমের অনেকগুলো ছদ্মনাম রয়েছে। তিনি ইকবাল, মামুন ও হাদি-২ নামেও পরিচিত।

ডিবি কর্মকর্তারা বলছেন, এই দুটি ঘটনায় সেলিমসহ অন্তত ২০ জনের জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে ছয়জনের ছবি পেয়েছে পুলিশ। চলতি বছরের ১৮ মে এই ছয়জনের ছবি প্রকাশ করে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য পাঁচ লাখ টাকা করে পুরস্কার ঘোষণা করে পুলিশ। এই ছয়জনের মধ্যে পরে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন আবদুস সবুর ওরফে সামাদ ওরফে সুজন ওরফে সাদ, মইনুল হাসান ওরফে শামীম ওরফে সামীর ও সুমন পাটোয়ারি। আর শরিফুল ওরফে মুকুল রানা নামে আরেকজন গত ১৮ জুন রাতে ঢাকার খিলগাঁওয়ে ডিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন।

তদন্তকারী কর্মকর্তারা বলছেন, এই শরিফুল প্রকাশক আহমেদুর রশীদ হত্যাচেষ্টায় সরাসরি জড়িত ছিলেন। এই শরিফুল এবং গ্রেপ্তার থাকা সবুর ও মইনুল প্রকাশক দীপন হত্যায় অংশ নেওয়া পাঁচ জঙ্গিকে প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন। সবুর ও মইনুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ কথা স্বীকার করেছে। তারা এখন কারাগারে।

মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা ডিবির উপ-কমিশনার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ বলেন, দীপন হত্যা মামলা ও আহমেদুর রশীদকে হত্যাচেষ্টা মামলা হামলায় এখন পর্যন্ত ছয় জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে দুই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী জঙ্গিনেতা সেলিমের নাম পাওয়া গেলেও তার পূর্ণাঙ্গ পরিচয় জানা যায়নি। তাকে গ্রেপ্তার করা গেলে উভয় ঘটনায় জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তার করা যাবে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৩১ অক্টোবর নৃশংস জোড়া হামলা চালিয়ে রাজধানীতে জাগৃতি প্রকাশনীর মালিক ফয়সাল আরেফিন দীপনকে কুপিয়ে হত্যা করে ধর্মীয় সন্ত্রাসীরা। একই দিন দুপুরে শুদ্ধস্বরের প্রকাশক আহমেদুর রশীদ টুটুল, রণদীপম বসু ও তারেক রহিমকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে দুর্বৃত্তরা। হামলায় আহতরা সেজন্যে জঙ্গি মৌলবাদীদের দায়ি করেছেন এবং আনসার আল ইসলাম নামের এক জঙ্গি সংগঠন এর দায় স্বীকার করে।

দুটি ক্ষেত্রেই হামলার পর কার্যালয়ের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দিয়ে যায় জঙ্গি মৌলবাদীরা।

জাগৃতি প্রকাশনী থেকে লেখক অভিজিৎ রায়ের কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে, যিনি নিজেও গত ফেব্রুয়ারিতে (২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫) একইভাবে খুন হন।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত