১৫ নভেম্বর, ২০১৬ ১২:৩৭
আজ পহেলা অগ্রহায়ণ, হেমন্তকাল শুরু। প্রতি বছর অগ্রহায়ণের প্রথম দিনের মতো এবারও পালিত হচ্ছে নবান্ন উৎসব।
জাতীয় নবান্ন উৎসব উদযাপন পর্ষদ ল্যাবএইডের সহযোগিতায় এ উৎসবের আয়োজন করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার বকুলতলায় ও ধানমণ্ডি রবীন্দ্র সরোবর মুক্তমঞ্চে।
সকাল ৭ টা ১ মিনিট থেকে অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়ে সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে নবান্ন শোভাযাত্রা। উৎসবে সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি, নবান্ন শোভাযাত্রা, ঢাক-ঢোলের বাদন আর মুড়ি-মুড়কি, পিঠার আয়োজন ছিলো এ উৎসবে।
‘নবান্ন’ শব্দের অর্থ ‘নতুন অন্ন’। নতুন আমন ধান কাটার পর সেই ধান থেকে প্রস্তুত চালের প্রথম রান্না উপলক্ষে আয়োজিত হয়ে এই উৎসব। সাধারণত অগ্রহায়ণ মাসে আমন ধান পাকার পর এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।এছাড়া বিকাল ৩টায় ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে দ্বিতীয় পর্বের অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
উৎসবে নাচ, গান, আবৃত্তি, নবান্ন শোভাযাত্রা, আদিবাসী পরিবেশনাসহ বিভিন্ন পরিবেশনা থাকবে। থাকবে ঢাক-ঢোলের বাদন আর মুড়ি-মুড়কি-বাতাসা ও পিঠার আয়োজন। সবার জন্য উন্মুক্ত নবান্ন উৎসব ১৪২৩।
নবান্ন উপলক্ষে এই বাংলায় প্রচলিত আছে অনেক আচার অনুষ্ঠান। উত্তরের জেলাগুলোতে জামাইকে নিমন্ত্রণ করে পিঠা-পায়েস খাওয়ানো হয়। নাইওর আনা হয় মেয়েকে। খুলনা ও সাতক্ষীরা অঞ্চলে কৃষকরা মইয়না শাইল ধানের চাল দিয়ে এই উৎসব পালন করে।
নেত্রকোনার হাজংরা হাতিবান্দা ধান দিয়ে ও মন্দিরা মিদিম ধানের চাল দিয়ে নবান্ন করে। এছাড়াও শেরপুর অঞ্চলের কোচ জনগোষ্ঠী পুরাবিনি ধান দিয়ে নবান্ন উৎসব করে।
আপনার মন্তব্য