সিলেটটুডে ডেস্ক

২৭ নভেম্বর, ২০১৯ ১০:১৩

দুপুরে হলি আর্টিজান হামলার রায়

ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলা মামলার রায় ঘোষণা করবেন। বুধবার (২৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় এই রায় ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর গোলাম সরোয়ার খান জাকির।

আসামিদের আদালতে হাজির করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট হাজতখানায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক মইনুল ইসলাম জানান, হলি আর্টিজান হামলার আসামিরা কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার আছেন। সেখান থেকে সকাল ৯টায় আসামিদের আদালতে পাঠানো হবে। এরপর আদালতের নির্দিষ্ট সময়ে এজলাসে উঠানো হবে। রায় ঘোষণার পর আদালত থেকে তাদের আবারও কারাগারে পাঠানো হবে।

গত ১৭ নভেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে বিচারক রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করেন।

গত বছরের ২৩ জুলাই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগের পরিদর্শক হুমায়ূন কবির সিএমএম আদালতে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২৬ জুলাই সিএমএম আদালত মামলাটি ট্রাইব্যুনালে বদলির আদেশ দেন। আর ২৬ নভেম্বর অভিযোগ গঠন করেন আদালত। অভিযোগপত্রে থাকা ২১ আসামির ১৩ জন মারা যাওয়ায় তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়।

অভিযোগপত্রে ৮ আসামি হলো—হামলার মূল সমন্বয়ক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডার নাগরিক তামিম চৌধুরীর সহযোগী আসলাম হোসেন ওরফে রাশেদ ওরফে আবু জাররা ওরফে রাশ, অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহকারী নব্য জেএমবি নেতা হাদিসুর রহমান সাগর, নব্য জেএমবির অস্ত্র ও বিস্ফোরক শাখার প্রধান মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, রাকিবুল হাসান রিগ্যান, জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব ওরফে রাজীব গান্ধী, হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী আব্দুস সবুর খান (হাসান) ওরফে সোহেল মাহফুজ, শরিফুল ইসলাম ও মামুনুর রশিদ। এরা সবাই কারাগারে রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাজধানীর গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে নৃশংস হামলা চালায় জঙ্গিরা। ওই দিন রাত পৌনে ৯টার দিকে সশস্ত্র পাঁচ জঙ্গি বেকারিতে ঢুকে নির্বিচারে গুলি করে ২২ জন দেশি-বিদেশি নাগরিককে হত্যা করে যার মধ্যে ৯ জন ইতালিয়ান, সাত জন জাপানি, এক জন ভারতীয় নাগরিক। জঙ্গিদের দমনে অভিযান চালাতে গিয়ে নিহত হন পুলিশের দুই কর্মকর্তা। জঙ্গিরা বেকারিতে যাওয়া অতিথিদের রাতভর জিম্মি করে রাখে। পরদিন সকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় সেনাবাহিনী কমান্ডো অভিযান- অপারেশন থান্ডারবোল্ট পরিচালনা করে তাদের জিম্মিদশা থেকে মুক্তি করে। অভিযানে পাঁচ জঙ্গি ও একজন বেকারি শেফ নিহত হন। এছাড়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় নিহত হন আরও একজন বেকারিকর্মী।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত