১৫ নভেম্বর, ২০১৫ ২০:৪৬
প্রথম ম্যাচে ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করেছিলেন মাশরাফি। শোধ তুললেন একই কাজ করলেন মাদজিবা। নাসিরকে লং অন দিয়ে উড়িয়ে দারুণ এক জয় এনে দিলেন জিম্বাবুয়েকে। শেষ ওভারে ১৮ রান দরকার ছিল জিম্বাবুয়ের। ওই ওভারের প্রথম বলে ওয়ালারের উইকেট পড়লেও বাকি ৫ বলে নাসিরকে পিটিয়ে তাই তোলে নিলেন মাদজিবা।
ওয়ানডে সিরিজে আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ধবলধোলাই করা বাংলাদেশ তাই টি-টুয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে ১ বল বাকি থাকতে ৩ উইকেটে হারল। ১-১ সমতায় সিরিজ শেষ করল জিম্বাবুয়ে।
জিম্বাবুয়ের জয়ের নায়ক একক কেউ নন। বোলিংয়ে পানিয়াংগারা, ক্রেমার, মাদজিবা পর ব্যাটিংয়ে - ওয়ালার, জোয়াঙ্গে, মাদজিবা।
১৩৬ রানের ছোট লক্ষ্যে খেলতে নেমেও বাংলাদেশের শক্তিশালী বোলিং লাইনআপের সামনে প্রথমে বেশ বিপাকে পড়ে এল্টন চিগুম্বুরার দল। ১৫ রানের ভেতরেই ৩ উইকেটের পতন ঘটে তাদের।
যার দুটি দখল করে হ্যাট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন আল-আমিন। তবে হ্যাট্রিক না করলেও দারুণ বোলিং করে জিম্বাবুয়ের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার জোয়াঙ্গের উইকেট তোলে নিয়ে পেয়েছেন তৃতীয় উইকেট।
মাত্র ১২ রান দিয়ে দুই উইকেট পেয়েছেন মুস্তাফিজও।
তবে আগের ম্যাচের মত এ ম্যাচেও জিম্বাবুয়ের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেছেন ম্যালকম ওয়ালার। শেষ ওভারে নাসিরের বলে ৪০ রান করে তিনি আউট হন। তবে বাকি কাজটা করেছেন অলরাউন্ডার মাদজিবা। মাত্র ১৯ বলে ২৮ রান করে নায়ক তো তিনিই।
এর টসে জয় লাভ করে ব্যাটিং করা বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ের সামনে ছুঁড়ে দিতে পারে মাত্র ১৩৫ রান। শুরু থেকেই একের পর এক উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে বড় সংগ্রহ করতে পারেনি মাশরাফির দল।
সর্বোচ্চ ৪৭ রান করেছেন ওয়ানডাউনে খেলতে নামা এনামুল হক বিজয়। তবে এই রান করতে তিনি খুইয়েছেন ৫১টি বল যে কারণে অপরপ্রান্তে রান বাড়াতে বাড়তি রিস্ক নিতে গিয়ে পড়ে দ্রুত উইকেট।
লিটনের বদলি হিসেবে খেলতে নামা ইমরুল ১০ রান করেন। আর তামিম আউট হন ২১ রান করে। এছাড়া সাব্বির করে ১৭ রান। আর কেউ দুই অংকের ঘরে পা রাখতে পারেন নি। জিম্বাবুয়ের পক্ষে পানিয়াংগারা ৩টি, মাদজিবা ও ক্রেমার দুটি করে উইকেট নেন।
বোলিংয়ে ২ উইকেট ও ব্যাটিংয়ে ম্যাচ জেতানো ২৮ রান করে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হয়েছেন মাদজিবা।
আপনার মন্তব্য