০৪ জুন, ২০১৯ ২১:৩৩
৩৩ ওভারে বৃষ্টির কারণে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং ইনিংস থেমে যায়। অবশেষে প্রায় দুই ঘণ্টা পর ম্যাচটি ফের শুরু হলো। তবে আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কার জন্য ৪১ ওভার করে বেধে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ৩৬.৫ ওভারে ২০১ রানে গুটিয়ে যায় লঙ্কানরা। যেখানে ডাকওয়ার্থ-লুইস (বৃষ্টি আইন) পদ্ধতিতে আফগানরা ১৮৭ রানের টার্গেট পেল।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে আফগানিস্তানের বিপক্ষে দারুণ শুরু করেছিল শ্রীলঙ্কা। দুই ওপেনার দিমুথ করুনারত্নে এবং কুসল পেরেরা ৯২ রানের ওপেনিং জুটি গড়েন। ৩০ রান করা অধিনায়ক করুনারত্নেকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন মোহাম্মদ নবি। কিন্তু দ্বিতীয় উইকেটে পেরেরার সঙ্গে হাল ধরেন লাহিরু থিরিমান্নে। এই জুটিতে আসে ৫২ রান। নবির বলে লাহিরু থিরিমান্নে (২৫) ফেরার সঙ্গে সঙ্গে ধসের শুরু হয় লঙ্কান ব্যাটিং লাইনআপে। এই অভিজ্ঞ আফগান তারকার ঘূর্ণিতে মহাবিপদে পড়ে যায় শ্রীলঙ্কা। কুসল মেন্ডিস (২) নবির বলে ক্যাচ তুলে দেন রহমত শাহর হাতে। নবি-রহমত জুটিতেই ফিরে যান অভিজ্ঞ অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ (০)।
ধনাঞ্জয়া ডি সিলভাকে (০) তুলে নেন হামিদ হাসান। এরপর থিসারা পেরেরা (২) রানআউট হয়ে গেলে মহাবিপদে পড়ে যায় শ্রীলঙ্কা। মাত্র ১৫ রানের মধ্যে তাদের ৫ উইকেট নেই হয়ে যায়! এরমধ্যে ১৪৪-১৪৬ রানের মধ্যেই ৩ উইকেট হারায় তারা। একপ্রান্ত আগলে লড়াই করছিলেন ওপেনার কুসল পেরেরা। ইসুরু উদানাকে (১০) বোল্ড করে দিয়ে লঙ্কার সপ্তম উইকেটের পতন ঘটান দৌলত জারদান। সুপারস্টার রশিদ খানের ঘূর্ণিতে থামে কুসলের লড়াই। শাহজাদের তালুবন্দি হয়ে তিনি ফিরেন ৮১ বলে ৭৮ রান করে। এই সময় বৃষ্টি এসে লঙ্কার ধস থামায়।
বৃষ্টিতে প্রায় দুই ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর কর্তিত ওভারে খেলা শুরু হয়। ওভার কমিয়ে আনা হয় ৪১ ওভারে। দ্রুত রান তোলার চেষ্টায় থাকা শ্রীলঙ্কা শিবিরে আঘাত হানেন দৌলত জারদান। তার বলে বোল্ড হয়ে যান লাসিথ মালিঙ্গা (৪)। তবে এর মাঝেই দুইশ ছাড়ায় লঙ্কার স্কোর। শেষটা ছেঁটে দেন রশিদ খান। তার ঘূর্ণিতে নূয়ান প্রদীপ (০) বোল্ড হয়ে গেলে ৩৬.৫ ওভারে ২০১ রানে শেষ হয় শ্রীলঙ্কার ইনিংস। সুরঙ্গা লাকমাল অপরাজিত থাকেন ১৫* রানে। ৯ ওভার বল করে ৩০ রানে ৪ উইকেট নেন মোহাম্মদ নবি। ২টি করে উইকেট নেন রশিদ খান এবং দৌলত জারদান।
আপনার মন্তব্য