COVID-19
CORONAVIRUS
OUTBREAK

Bangladesh

Worldwide

88

Confirmed Cases

09

Deaths

33

Recovered

1,204,055

Cases

64,791

Deaths

247,340

Recovered

Source : IEDCR

Source : worldometers.info

স্পোর্টস ডেস্ক

২২ মার্চ, ২০২০ ১০:১৮

করোনাভাইরাসে রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক সভাপতির মৃত্যু

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক সভাপতি লরেঞ্জো সাঞ্জ।

কোভিড-১৯ ভাইরাসের সংক্রমণ আগেই ধরা পড়েছিল তার শরীরে। রাখা হয়েছিল হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে। তার আরোগ্য কামনায় প্রার্থনায় ছিল স্প্যানিশ ফুটবল। কিন্তু লরেঞ্জো সাঞ্জকে ফেরানো গেল না।

৭৬ বছর বয়সী এ ব্যবসায়ীকে বুধবার হাসপাতালে ভর্তির কথা জানিয়েছিলেন তার ছেলে ফার্নান্দো সাঞ্জ। এর আগে জ্বরে ভুগেছেন বেশ কিছুদিন। ফার্নান্দো তার বাবার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন টুইটারে, ‘আমার বাবা মারা গেছেন। তার এভাবে চলে যাওয়ার কথা ছিল না। আমার দেখা অন্যতম দয়ালু, সাহসী ও কঠোর পরিশ্রম করা মানুষটি চলে গেলেন। পরিবার এবং রিয়াল মাদ্রিদ ছিল তার ভালোবাসা।’

রিয়াল মাদ্রিদের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘রিয়াল মাদ্রিদ এবং বোর্ড পরিচালকরা অত্যন্ত দুঃখ ও শোকের সঙ্গে জানাচ্ছে, লরেঞ্জো সাঞ্জ মারা গেছেন। তিনি ১৯৯৫ থেকে ২০০০ পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদের সভাপতি ছিলেন। আমরা শোকাহত এমন এক সভাপতির জন্য, যিনি জীবনের একটা বড় অংশ নিংড়ে দিয়েছিলেন রিয়ালের জন্য। এই অবস্থায় রিয়াল যত দ্রুত সম্ভব তাকে প্রাপ্য মর্যাদা দেওয়ার চেষ্টা করবে।’

১৯৮৫ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত টানা ১০ বছর ক্লাবের পরিচালক ছিলেন। র‌্যামন মেন্দোজার পর ১৯৯৫ সালে তিনি রিয়ালের সভাপতি হন। তার অধীনে রিয়াল একবার করে লিগ ও সুপার কাপ আর দুবার চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছে। সাঞ্জের অধীনে অন্যতম সেরা ক্লাবের মর্যাদা পুনরুদ্ধার করে রিয়াল। ৩২ বছরের খরা কাটিয়ে ১৯৯৮ ও ২০০০ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছিল তারা।

সাঞ্জ যখন রিয়ালের সভাপতি হলেন, ক্লাবের তখন অর্থনৈতিক দুর্দশা। তা সত্ত্বেও নিজ পকেটের টাকা দিয়ে ভ্যালেন্সিয়ার তারকা সার্বিয়ান স্ট্রাইকার প্রেদ্রাগ মিয়াতোভিচ ও সেভিয়ার তারকা ক্রোয়েশিয়ান স্ট্রাইকার ডেভর সুকারকে কিনতে চেয়েছিলেন তিনি। পরে দুজনকেই পেয়েছিলেন।

সাঞ্জের মৃত্যুতে মিয়াতোভিচ বলেন, ‘সাঞ্জ আমাকে তার ছেলের চোখে দেখতেন। এটা আমার জন্য অন্যতম দুঃখের রাত।’ রিয়ালের সাবেক অধিনায়ক ইকার ক্যাসিয়াসের টুইট, ‘শান্তিতে ঘুমোন সভাপতি। এই কঠিন সময়ে তার পরিবার ও বন্ধুদের সমবেদনা জানাই। এই মরণভাইরাসে যারা চলে গেছেন, তাদেরও স্মরণ করছি।’

স্পেনে এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত মানুষের সংখ্যা ১ হাজার ৩২৬। এর মধ্যে এক দিনেই মৃত মানুষের সংখ্যা ৩২৪।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত