নিজস্ব প্রতিবেদক

০৬ এপ্রিল, ২০২১ ১৬:৩৯

সিসিকের ভ্রাম্যমাণ আদালত: ৬ মামলা ও ২৭ হাজার টাকা জরিমানা

লকডাউন চলাকালে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি না মানা, রেস্তোরাঁয় বসিয়ে খাবার পরিবেশন, ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করা এবং বেআইনিভাবে নদীতে ময়লা আবর্জনা ফেলে পরিবেশ দূষণের বিরুদ্ধে সিলেট সিটি করপোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে।

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) সিলেট নগরের কালীঘাট ও মেন্দিবাগ এলাকায় চলা এ ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলাসহ ২৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে সিসিকের ভ্রাম্যমাণ আদালত। সিসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিজন কুমার সিংহ ভ্রাম্যমাণ আদালতটি পরিচালনা করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে নগরের কালীঘাটে নিত্যপণ্যের বিভিন্ন পাইকারি দোকানে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে পণ্য বিক্রয় এবং ফুটপাত দখল করে পণ্যের পসরা সাজানোর অভিযোগ দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জরিমানা ও মামলা করা হয়।

লকডাউন পালনে সরকারের জারি করা ১১টি নির্দেশনার মধ্যে অন্যতম হল- খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ (টেকওয়ে/অনলাইন) করা যাবে। কোনো অবস্থাতেই হোটেল-রেস্তোরাঁয় বসে খাবার গ্রহণ করা যাবে না বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।  কিন্তু সিলেট নগরের কালীঘাট বাজার এবং মেন্দিবাগ পয়েন্টে সরকারের এমন নির্দেশনা উপেক্ষা করে কয়েকটি রেস্তোরাঁ ব্যবসা পরিচালনা করছিল। সিসিকের ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা এবং জরিমানা করেন।  

এছাড়া রেস্তোরাঁয় উৎপাদিত বর্জ্য সুরমা নদীতে ফেলে পরিবেশ ও পানি দূষণের অপরাধে সিসিকের ভ্রাম্যমাণ আদালত এক রেস্তোরাঁ মালিককে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন। অভিযানে মোট ৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা এবং ২৭ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ হানিফুর রহমান, জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুল আলিম শাহ, বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সিলেট মহানগর পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ৫ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ১১ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত লকডাউন চলাকালে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত