১৯ অক্টোবর, ২০১৭ ০০:১৮
সম্পূর্ণ হিংসার বশবর্তী হয়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ওমর আলী মিয়াদ হত্যা মামলায় তাকে আসামী করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এম রায়হান চৌধুরী। মামলার কারণে তিনি ভীত নন বলেও জানান রায়হান।
বৃহস্পতিবার রাতে ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এমনটি বলেন রায়হান চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ছাত্রলীগ কর্মী ওমর আহমদ মিয়াদ হত্যার ঘটনায় তার বাবা আকুল মিয়া বাদী হয়ে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এম রায়হান চৌধুরীকে প্রধান আসামী করে ১০জনের নাম উল্লেখ করে এবং ৪-৫ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে শাহপরান থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এই মামলায় দায়েরের প্রেক্ষিতে রাতে রায়হান চৌধুরী ফেসবুকে লিখেন-
সম্পূর্ণ হিংসার বশবর্তী হয়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ষড়যন্ত্রমূলক,সাজানো, মিথ্যা হত্যা মামলায় যারা আজ আমাকে ফাঁসিয়েছেন,মনে রাখবেন ইতিহাস কাউকেই ক্ষমা করেনি,করবেও না।
আমি ভীত নই, সত্য কে সত্য,আর মিথ্যা কে বলে যদি ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়াতে হয় আমি নির্দ্বিধায় তা বরন করে নিবো..
সত্যের মৃত্যু নেই..
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
মিয়াদের বাবার দায়ের করা মামলায় রায়হান ছাড়াও তোফায়েল আহমদ, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সরোয়ার হোসেন চৌধুরী, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জোবায়ের খান, জেলা ছাত্রলীগের সমাজসেবা সম্পাদক জাকারিয়া মাহমুদ, জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফাহিম শাহ্, জেলা ছাত্রলীগের উপ দপ্তর সম্পাদক রাফিউল করিম মাসুম, রুহেল, ফকরুল আহমদ, শওকত হাসান মানিককে আসামী করা হয়েছে। এছাড়াও আরও ৪-৫ জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে।
মামলার আসামী তোফায়েল আহমদ ও ফখরুল আহমদ দুজনকে আগেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
প্রসঙ্গত, সোমবার বিকেলে সিলেট নগরীর টিলাগড়ে প্রতিপক্ষ গ্রুপের কর্মীদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন ওমর আহমদ মিয়াদ (২২) নামের ওই ছাত্রলীগ কর্মী। এতে আহত হয়েছেন আরও দুই কর্মী। মিয়াদ লিডিং ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের ছাত্র। জগন্নাথপুর উপজেলার বালিশ্রী গ্রামের আকুল মিয়া ও ডালিয়া বেগম দম্পতির দ্বিতীয় সন্তান।
আপনার মন্তব্য