সিলেটটুডে ডেস্ক

১৯ অক্টোবর, ২০১৭ ০০:৩৫

জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনিত ইনোভেটরের বইপড়া উৎসব

সিলেটে একযুগ ধরে চলে আসা  ইনোভেটর আয়োজিত বইপড়া উৎসব 'জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড'- এর জন্য চূড়ান্ত পর্বে মনোনীত হয়েছে। তরুণদের জনপ্রিয় প্লাটফর্ম ইয়ং বাংলা এই অ্যাওয়ার্ড প্রবর্তন করছে। এবছর চুড়ান্ত পর্বে সারা দেশের পঞ্চাশটি সংগঠনকে মনোনীত করা হয়েছে। যার মধ্যে বইপড়া উৎসবও রয়েছে।
 
বইপড়া উৎসবের আয়োজক সংগঠন ইনভেটরের সংশ্লিস্টরা জানান, ‘জ্ঞানের আলোয় অবাক সূর্যোদয়!/ এসো পাঠ করি/ বিকৃতির তমসা থেকে/ আবিস্কার করি স্বাধীনতার ইতিহাস’ এই স্লোগান নিয়ে ২০০৬ সালে ইনোভটের বইপড়া উৎসব যাত্রা শুরু করে। মূলত তরুণ প্রজন্মের কাছে গ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে মহান মুক্তিযোদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরা ও পাঠভ্যাস সৃষ্টির লক্ষ্যইে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয় । এতে অংশ নেন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা। প্রতি বছর এই উৎসবের আয়োজন করা হয়।

কাজের স্বীকৃতিস্বরুপ 'জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড'র জন্য এবার মনোনীত হয়েছে বইপড়া উৎসব। আগামী ২০-২১ অক্টোবর ঢাকার সাভারস্থ শেখ হাসিনা যুব কেন্দ্রে বইপড়া উৎসবের আয়োজকদের উপস্থিত থাকতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সে লক্ষ্যে ইনোভেটর বইপড়া উৎসবের পক্ষথেকে সংগঠক জান্নাতুল ফেরদৌস তারিন ও নাইমুর রাহী ঢাকায় এই   অ্যাওয়ার্ড  প্রদান অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন বলে জানাগেছে।  

জানা যায়, ইনোভেটর মোট চারটি ধাপে বইপড়া উৎসব সম্পন্ন করে।  প্রথম ধাপ- রেজিস্ট্রেশন,দ্বিতীয় ধাপ- আনুষ্ঠানিকভাবে বই বিতরণ, তৃতীয় ধাপ- নির্বাচিত গ্রন্থ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা, চতুর্থ ধাপ- শ্রেষ্ঠ পাঠক, সেরা পাঠক নির্বাচন, পুরস্কার বিতরণ ও সকল অংশগ্রহণকারীদের সনদপত্র প্রদান।

প্রতবিছর বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে উদ্বোধন, ভাষার মাস ফেব্রুয়ারিতে পরীক্ষা  এবং স্বাধীনতার মাস মার্চে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠতি হয়।

বইপড়া উৎসবরে প্রধান উদোক্তা রেজওয়ান আহমদ এবং প্রণবকান্তি দেব জানান, এ পর্যন্ত বইপড়া উৎসবে প্রায় ৬ সহস্রধিক শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। তারা আরো জানান, ইতোমধ্যে এই উৎসবটি সিলেট নগরী ছাড়িয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও পৌছে গেছে এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

আয়োজক সুত্রে জানা গেছে, বইপড়া উৎসবে এ পর্যন্ত পঠিত গ্রন্থ সমূহ হল- শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ‘একাত্তরের দিনগুলি’, সেলিনা হোসেনের ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’, হাসান আজিজুল হকের ‘নামহীন গোত্রহীন’, মেজর (অব:) কামরুল হাসান ভুইয়ার ‘জনযুদ্ধের গণযোদ্ধা’, মাহমুদুল হকের ‘খেলাঘর’, শওকত ওসমানের ‘দুই সৈনিক’, আনোয়ার পাশার ‘রাইফেল রুটি আওরাত’ ও শাহিন আখতারের ‘তালাশ’, সেলিনা হোসেনের ‘গল্পটা শেষ হয় না’ এবং  সৈয়দ শামসুল হকের ‘নিষিদ্ধ লোবান’।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত