২৯ অক্টোবর, ২০১৭ ১৩:৩৪
প্রায় ১১ মাস কারভােগের পর ছেলেসহ জামিনে মুক্তি পেলেন বিতর্কিত শিল্পপতি রাগীব আলী। রোববার দুপুরে ছেলে আব্দুল হাইসহ সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।
হাজার কোটি টাকার দেবোত্তোর সম্পত্তি তারাপুর চা-বাগান দখলের দুটি মামলা ও পলতাক থাকা অবস্থায় পত্রিকা প্রকাশের একটি মামলায় দণ্ডিত হয়ে রাগীব আলী ও তাঁর ছেলে আবদুল হাই সিলেট কারাগারে ছিলেন।
রোববার (২৯ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তারা।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) তাদের জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল খারিজ করে দেন উচ্চ আদালত। ফলে পিতা-পুত্রের জামিন আদেশ বহাল থাকে।
সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার আব্দুল জলিল রাগীব আলী ও তাঁর ছেলের মুক্তির খবর নিশ্চিত করে সিলেটটুডে টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, আজ সকালে আদালত থেকে মুক্তির আদেশ কারাগারে পৌঁছালে দুপুর সোয়া ১টার দিকে তাদেরকে মুক্তি দেয়া হয়।
প্রসঙ্গত, দেবোত্তর ওই সম্পত্তি আত্মসাতের জন্য জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি আদেশ তৈরির অভিযোগে ২০০৫ সালের ২ নভেম্বর সিলেট কোতোয়ালি থানায় মামলাটি করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি)। এ মামলায় গত ২ ফেব্রুয়ারি সিলেটের মুখ্য মহানগর হাকিম রায় দেন। রায়ে চারটি ধারায় তাদের ১৪ বছরের কারাদণ্ডাদেশ ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। সব সাজা একসঙ্গে চলবে বলে রায়ে উল্লেখ করায় কার্যত তাদের ছয় বছর কারাদণ্ড হয়েছে।
এই দণ্ডাদেশের রায়ের বিরুদ্ধে ১৬ ফেব্রুয়ারি দণ্ডপ্রাপ্তরা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আপিল করেন। যা শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
এরপর প্রতারণার মাধ্যমে তারাপুর চা বাগানের সম্পদ ধংসের আরকেটি মামলায় ৬ এপ্রিল রাগীব আলী ও তাঁর ছেলেকে ৭ বছরের কারাদন্ড দেন একই আদালত।
এর আগে গত ২৩ নভেম্বর ভারতের করিমগঞ্জ ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে রাগীব আলী ও গত ১২ নভেম্বর ভারত থেকে জকিগঞ্জ এসে গ্রেপ্তার হন আবদুল হাই। বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রাগীব আলী ও তার ছেলে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতে আপিল করেন।
আপনার মন্তব্য